চিত্র-২ এর ব্যাখ্যাটি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার শৃঙ্খলযোজন নির্দেশিত হয়েছে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায় কোনো ঘটনার কার্যকারণ সম্পর্ক উল্লেখ করে ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়। আর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার কিছু কিছু ক্ষেত্রে কোনো কার্য ও তার দূরবর্তী কারণের মধ্যবর্তী পর্যায় আবিষ্কার করে ঘটনার ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার এই ধরন বা রূপকে শৃঙ্খলযোজন বলে। শৃঙ্খলযোজনের মাধ্যমে দেখা হয় যে, কোনো কার্য তার কারণ থেকে সরাসরি উদ্ভব হয় না। ঘটনার কারণ ও চূড়ান্ত কার্যের মধ্যবর্তী পর্যায় থাকে। আর এই মধ্যবর্তী পর্যায়টি অতিক্রম করেই কার্যটি সংঘটিত হয়।তেমনি উদ্দীপকের চিত্র-২ এ দেখানো হয়েছে যে, 'যুদ্ধ' ও 'দুর্ভিক্ষের' মধ্যবর্তী পর্যায় হলো অর্থনৈতিক ক্ষতি, খাদ্যাভাব। অর্থাৎ যুদ্ধের কারণে অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়। আর অর্থনৈতিক ক্ষতির কারণে খাদ্যাভাব দেখা দেয়। যার ফলে সংঘটিত হয় দুর্ভিক্ষ। যেহেতু উদ্দীপকের চিত্র-২ এ একটি কার্যের কারণ ও চূড়ান্ত কার্যের মধ্যবর্তী পর্যায় আবিষ্কার করে দেখানো হয়েছে। তাই চিত্র-২ এর মাধ্যমে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার রূপ শৃঙ্খলযোজন নির্দেশিত হয়েছে। শৃঙ্খলযোজনের মাধ্যমে একটি ঘটনা বিস্তারিতভাবে জানা যায়। এখানে একটি কার্যের বিভিন্ন পর্যায় আমাদের কাছে স্পষ্ট হয়। তাই বলা যায় যে, বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার রূপ হিসেবে শৃঙ্খলযোজন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।