উদ্দীপকে ফারুক সাহেবের স্ত্রীর বক্তব্যে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার শৃঙ্খলযোজন রূপটি প্রতিফলিত হয়েছে।বর্ণনা করা হলো-কোনো ঘটনার কার্য ও দূরবর্তী কারণের মধ্যবর্তী স্তর বা পর্যায়কে বলে শৃঙ্খলযোজন। শৃঙ্খলযোজনের মাধ্যমে ঘটনার কার্য ও কারণের মধ্যে যোগসূত্র তৈরি হয়। যেমন— বিজ্ঞানীরা মনে করেন, বিদ্যুৎ তাপ উৎপন্ন করে, তাপ বায়ুর আকস্মিক প্রসারণ ঘটায়। আর বায়ুর এ প্রসারণই শব্দ সৃষ্টির কারণ। অর্থাৎ বিদ্যুৎ থেকে তাপ, তাপ থেকে বায়ুর প্রসার, আর বায়ুর প্রসার থেকেই শব্দের সৃষ্টি। এভাবে শৃঙ্খলযোজন কার্য ও কারণের মধ্যবর্তী যোগসূত্র হিসেবে কাজ করে। তেমনি উদ্দীপকে ফারুক সাহেবের স্ত্রী বলেন, ভালো ফলাফল হলো সুখী জীবনের কারণ। কেননা ভালো ফলাফলের কারণে ভালো চাকরি পাওয়া যায়, আর্থিক সচ্ছলতা আসে, যার ফলে জীবনে সুখী হওয়া যায়। এই বক্তব্যকে শৃঙ্খলযোজনের মাধ্যমে এভাবে দেখানো যায় ভালো ফলাফল, ভালো চাকরি, আর্থিক সচ্ছলতা, সুখী জীবন। অর্থাৎ এখানে কার্য ও দূরবর্তী কারণের মধ্যবর্তী যোগসূত্র নির্ণয় করে ঘটনার ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। তাই বলা যায় যে, ফারুক সাহেবের স্ত্রীর বক্তব্যটি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার শৃঙ্খলযোজনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ