উদ্দীপকে স্থানীয় বৃদ্ধদের ও ডাক্তারের বক্তব্য দ্বারা যথাক্রমে লৌকিক ব্যাখ্যা ও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নির্দেশিত হয়েছে। নিচে উভয় ব্যাখ্যার পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো-
উদ্দীপকে স্থানীয় বৃদ্ধদের বক্তব্যে মনগড়া ও নিজস্ব ধারণা প্রকাশ পেয়েছে। এ কারণে এটি লৌকিক ব্যাখ্যা। এরূপ ব্যাখ্যা সংশ্লিষ্ট ঘটনার সাথে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে থাকে। এ ব্যাখ্যায় সংশ্লিষ্ট ঘটনাকে সমজাতীয় অন্যান্য ঘটনার সাথে সংযুক্তিকরণ করা হয় না। পাশাপাশি অতিপ্রাকৃতিক কারণ ও ব্যক্তির ব্যক্তিগত বিশ্বাস প্রতিফলিত হয়ে থাকে। যেহেতু বিভিন্ন ব্যক্তির বিশ্বাস বিভিন্ন রকম, তাই লৌকিক ব্যাখ্যা স্থান-কাল-পাত্রভেদে ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। এ কারণে সবার কাছে লৌকিক ব্যাখ্যার সমান গুরুত্ব নেই।
অন্যদিকে, উদ্দীপকে ডাক্তারের বক্তব্য প্রাকৃতিক ও বৈজ্ঞানিক নিয়ম উল্লেখ করে প্রদান করা হয়েছে। এ কারণে এটি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা। এরূপ ব্যাখ্যায় কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয় করে ঘটনার প্রাসঙ্গিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। পাশাপাশি এ ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক ও বৈজ্ঞানিক নিয়ম অনুসরণ করা হয় বলে এ ব্যাখ্যা স্থান-কাল-পাত্রভেদে সবসময় একইরকম হয়ে থাকে। তাই সর্বত্রই বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার গুরুত্ব অপরিসীম।
উল্লিখিত দুই প্রকার ব্যাখ্যার পার্থক্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায় ঘটনার প্রকৃত ও যথার্থ কারণ উল্লেখ থাকে। তাই উদ্দীপকে উল্লেখিত স্থানীয় বৃদ্ধদের বক্তব্যের চেয়ে ডাক্তারের বক্তব্য বা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য।