দৃশ্য-২ এর ঘটনাটি হলো শৃঙ্খলযোজন আর দৃশ্য-১ এর ঘটনাটি হলো বিশ্লেষণ।যে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায় কোন দূরবর্তী কারণ ও তার কার্যের মধ্যে একটি মধ্যবর্তী অবস্থা আবিষ্কার করা হয় তাকে শৃঙ্খলযোজন বলে। এ ব্যাখ্যায় দেখানো হয় যে, একটি কার্য সরাসরি কল্পিত কারণ থেকে উদ্ধৃত নয়। বরং কার্যটি একটি অন্তর্বর্তী অবস্থা থেকে সৃষ্ট। অন্যদিকে, যে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায় কোনো মিশ্র কার্যকে স্বতন্ত্র কারণ সমূহের নিয়মের সাথে যুক্ত করা হয় তাকে বিশ্লেষণ বলে। শৃঙ্খলযোজন ও বিশ্লেষণের মধ্যে সাদৃশ্যের ক্ষেত্রে দেখা যায়, উভয়ই কোনো ঘটনার ব্যাখ্যায় ব্যবহৃত হয়। উভয়ই বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার দুটি রূপ মাত্র। উভয়ই ব্যাখ্যার মাধ্যমে নতুন জ্ঞানের জগত সম্প্রসারিত হয়।বৈসাদৃশের ক্ষেত্রে দেখা যায়, বিশ্লেষণ বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার প্রথম রূপ। কিন্তু শৃঙ্খলযোজন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার দ্বিতীয় রূপ। বিশ্লেষণে মিশ্র কাজে ফলে নতুন একটি বিষয় প্রকাশ পায়। কিন্তু শৃঙ্খলযোজন মিশ্র কাজের কোনো স্তান নেই। বিশ্লেষণে মধ্যবর্তী কোনো স্তর নেই। কিন্তু শৃঙ্খলযোজনে মধ্যবর্তী স্তর আছে। যেমন- দৃশ্য-২ এ উল্লেখিত 'স্কুল-কলেজ-ইউনিভার্সিটি এমএ পাস'। এখানে এমএ পাস করতে স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি নামক বিভিন্ন স্তর অতিক্রম করতে হয়।পরিশেষে বলা যায়, বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার বিশেষ রূপ হিসেবে পরিচিত বিশ্লেষণ ও শৃঙ্খলযোজন মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন বিষয়কে সহজ সরলভাবে ব্যাখ্যা করতে পারি।