'দৃশ্যকল্প-২ এ বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার শৃঙ্খলযোজনের একটি উত্তম দৃষ্টান্ত'- এ বক্তব্যের সাথে আমি একমত।বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার তিনটি রূপের মধ্যে দ্বিতীয়টি হলো শৃঙ্খলযোজন। যে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায় কোনো কার্য ও তার দূরবর্তী কারণের মধ্যে একটি মধ্যবর্তী পর্যায় আবিষ্কার করে ব্যাখ্যা করা হয় তাকে শৃঙ্খলযোজন বলে। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার এরূপে দেখানো হয় যে, কোনো কার্য তার কারণ থেকে সরাসরি উৎপন্ন হয় না। এখানে মূল কারণ ও কার্যের মধ্যে মধ্যবর্তী পর্যায় থাকে। আর ঐ মধ্যবর্তী পর্যায় অতিক্রম করেই কার্যটি সংঘটিত হয়।উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-২ এ দেখা যাচ্ছে যে, 'নিয়মিত পড়ালেখা' ও 'সমৃদ্ধি অর্জন'-এর মধ্যবর্তী পর্যায় দেখানো হয়েছে। অর্থাৎ, এখানে দেখানো হয়েছে যে, মূল কারণ ও কার্যের মধ্যে মধ্যবর্তী পর্যায় রয়েছে। আর ঐ মধ্যবর্তী পর্যায় অতিক্রম করেই কার্যটি সংঘটিত হয়। সুতরাং, দৃশ্যকল্প-২ এর ঘটনাটির সাথে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার রূপ শৃঙ্খলযোজনের মিল রয়েছে।তাই আমি মনে করি, দৃশ্যকল্প-২ বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার শৃঙ্খলযোজনের একটি উত্তম দৃষ্টান্ত।