উদ্দীপকে উল্লেখিত লামিয়ার নির্দেশিত ব্যাখ্যা হলো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা।
কোনো ঘটনার কার্যকারণ বা প্রকৃত কারণ উল্লেখ করে ব্যাখ্যা প্রদান করার প্রক্রিয়াকে বলে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা। এই ব্যাখ্যার মাধ্যমে যেকোনো ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যায়। কারণ এরূপ ব্যাখ্যা ঘটনার সাথে প্রাসঙ্গিক হয়। তাই বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা সবসময় একই থাকে এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্যতা লাভ করে।
উদ্দীপকে বর্ণিত, লামিয়ার দাদু গ্রামের পুরাতন জমিদার বাড়ির বড় পুকুর দেখিয়ে বলেন, ছোটবেলায় আমরা শুনেছি জমিদারের মেয়ে পুকুরে ডুব দিয়ে আর উঠেনি । তখন লামিয়া বলে, মেয়েটি সাঁতার জানত না বলে ডুবে গেছে। আমরা জানি, সাঁতার জানা না থাকলে পুকুর, নদী বা সাগরে ডুবে মারা যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এদিক থেকে লামিয়ার বক্তব্যটি প্রাসঙ্গিক। কারণ সে মনে করে সাঁতার না জানাই মেয়েটির মৃত্যুর কারণ। এরূপ প্রাসঙ্গিক কারণ উল্লেখ করা জন্যই বলা যায়, লামিয়ার বক্তব্য হলো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা।