উদ্দীপকে চিত্র-১ ও চিত্র-৩ চিহ্নিত স্থানে যথাক্রমে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার 'বিশ্লেষণ' ও 'শৃঙ্খলযোজন' বিষয়গুলো প্রতিফলিত হয়েছে। বিশ্লেষণ ও শৃঙ্খলযোজন এ দুটিই বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার রূপ। উভয়েরই লক্ষ্য হলো ঘটনার কারণ আবিষ্কার করা। 'যে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায় কোনো মিশ্রকার্যকে স্বতন্ত্র কারণসমূহের নিয়মের সাথে যুক্ত করা হয় তাকে বিশ্লেষণ বলে। এক্ষেত্রে মিশ্রকার্যটি কতকগুলো পৃথক কারণের মিলিত ক্রিয়ার ফলেই উৎপন্ন হয়। অপরদিকে, যে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায় কোনো দূরবর্তী কারণ ও তার কার্যের মধ্যে একটি মধ্যবর্তী অবস্থা আবিষ্কার করা হয় তাকে শৃঙ্খলযোজন বলে।' এরূপ ব্যাখ্যায় দেখানো হয়, একটি কার্য সরাসরি কল্পিত কারণ থেকে উদ্ধৃত নয়। বরং কার্যটি একটি মধ্যবর্তী অবস্থা থেকে সৃষ্ট। বিশ্লেষণে কোনো মিশ্রকার্যকে বিশ্লেষণ করে পাওয়া যায়, কোন কোন কারণ একসাথে কাজ করে কার্যটি সংঘটিত করেছে। আর শৃঙ্খলযোজনে জানা যায়, ঘটনার অনুপস্থিত অন্তর্বর্তী কারণকে যেটা ঘটনার প্রকৃত কারণ। বিশ্লেষণ কার্যসংমিশ্রণজনিত ঘটনাকে ব্যাখ্যা করার জন্য ব্যবহার করা হয়। কার্যসংমিশ্রণে মিশ্রকার্যটি স্বতন্ত্র কার্যসমূহের সমষ্টিমাত্র। শৃঙ্খলযোজনে কার্যের শৃঙ্খলাকে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। যেখানে দূরবর্তী কার্যকে নয় বরং অন্তর্বর্তী কার্যকেই সংশ্লিষ্ট ঘটনার প্রকৃত কারণ বলা হয়।