উদ্দীপকে উল্লিখিত সমস্যা সমাধানে আমাদের যৌক্তিক সংজ্ঞার দ্বিতীয় নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।
কোনো পদের আবশ্যিক অর্থ বা জাত্যর্থকে সুস্পষ্টভাবে ব্যক্ত করাকে যৌক্তিক সংজ্ঞা বলা হয়। অর্থাৎ যৌক্তিক সংজ্ঞার মাধ্যমে পদের অপরিহার্য গুণ পরিপূর্ণভাবে প্রকাশ করা হয়। আমরা জানি, যৌক্তিক সংজ্ঞার দ্বিতীয় নিয়ম অনুসারে 'যে পদের সংজ্ঞা দিতে হবে সে পদটি থেকে সংজ্ঞার্থ পদকে অধিক স্পষ্ট হতে হবে। অর্থাৎ সংজ্ঞায় রূপক বা দুবোর্ধ্য ভাষা ব্যবহার করা যাবে না।' এ নিয়মটি লঙ্ঘন করে আমরা যদি পদের সংজ্ঞায় দুবোর্ধ্য ভাষা ব্যবহার করি, তাহলে সংজ্ঞাটি ত্রুটিপূর্ণ হবে এবং তাকে বলা হবে দুবোর্ধ্য সংজ্ঞাজনিত অনুপপত্তি। যেমন- বক হলো শ্বেত-শুভ্র দীর্ঘ-গ্রীব স্থিতাচারী সুশ্রী বিহঙ্গ। এটি একটি দুর্বোধ্য সংজ্ঞা। কেননা এতে দুর্বোধ্য ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে। এর অর্থ সহজবোধ্য নয় ।
উদ্দীপকে দেখা যায়, পিয়া সংগীত সম্পর্কে বাবাকে জিজ্ঞাসা করলে বাবা বলেন, সংগীত হলো দুর্মূল্য কোলাহল। যা দুর্বোধ্য সংজ্ঞাকে নির্দেশ করে। এরূপ দুর্বোধ্যতা এড়াতে আমাদেরকে সংজ্ঞার দ্বিতীয় নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।
পরিশেষে বলা যায়, উপর্যুক্ত সংজ্ঞাটির ত্রুটি দূরীকরণে সংজ্ঞার দ্বিতীয় নিয়ম অনুসরণ করে সহজ-সরল ভাষা ব্যবহার করতে হবে। অর্থাৎ এ নিয়ম অনুসারে আমরা বলতে পারি, সংগীত হলো বাদ্যযন্ত্রের ধ্বনি।