যুক্তিবিদ্যার আলোকে উদ্দীপকের বিভাজনটির সুবিধা ও অসুবিধাসমূহ তুলে ধর।
উত্তর: উদ্দীপকের বিভাজনটি দ্বিকোটিক বিভাগের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। আমরা জানি, দ্বিকোটিক বিভাগে উপশ্রেণিগুলোর মিলিত ব্যক্ত্যর্থ (Denotation) মূল শ্রেণির ব্যক্ত্যর্থের সমান। এ কারণে দ্বিকোটিক বিভাগে অব্যাপক বিভাগ ও অতিব্যাপক বিভাগ অনুপপত্তির সম্ভাবনা থাকে না। এ ছাড়াও বিরোধ নিয়ম ও মধ্যম রহিত নিয়মের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত বিধায় এতে সংকর বিভাগ (Cross Division) বা পরস্পরাঙ্গী বিভাগ (Over Lapping Division) নামক অনুপপত্তি ঘটে না। বস্তুত দ্বিকোটিক বিভাগ একটি সহজ-সরল প্রক্রিয়া। এ পদ্ধতিতে জাতিবাচক পদটিকে শুধু হ্যাঁ-বাচক ও না-বাচক পদে বিভক্ত করতে হয়। উদ্দীপকের প্রতিটি ছকে বিভাজ্য পদগুলো হ্যাঁ-বাচক বা না-বাচক হিসেবে বিভক্ত করা হয়েছে। তাই যেকোনো ব্যক্তি কোনো নিয়ম ব্যতিরেকে এই বিভাগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারে। অন্যদিকে, দ্বিকোটিক বিভাগের কিছু অসুবিধা লক্ষ করা যায়। কারণ দ্বিকোটিক বিভাগে নঞর্থক পদ দ্বারা নির্দেশিত উপজাতি সম্পর্কে আমরা সুষ্ঠু জ্ঞান লাভ করতে পারি না। ছকে উল্লিখিত অচেতন, অমানুষএবং অশিক্ষিত পদ দ্বারা সুনির্দিষ্টভাবে কিছুই বোঝানো হয় না। পাশাপাশি দ্বিকোটিক বিভাগের নেতিবাচক পদটি আসলে একটি সদর্থক পদের বিরুদ্ধ শব্দ। যা বাস্তব ঘটনাভিত্তিক নয়। পরিশেষে বলা যায়, দ্বিকোটিক বিভাগ হলো পদের বিভক্তকরণের বিকল্প প্রক্রিয়া। এ কারণে দ্বিকোটিক বিভাগ প্রক্রিয়ার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি না থাকলেও সীমিত পরিসরে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
HSC Logic 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Logic 2nd Paper · সৃজনশীল
যুক্তিবিদ্যার আলোকে উদ্দীপকের বিভাজনটির সুবিধা ও অসুবিধাসমূহ তুলে ধর।
উদ্দীপক
Chittagong · 2017
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর