উদ্দীপকের মিসেস রওশনের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বৈজ্ঞানিক আরোহ নির্দেশিত হয়েছে। আর মিতার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে অবৈজ্ঞানিক আরোহ নির্দেশিত হয়েছে। বৈজ্ঞানিক ও অবৈজ্ঞানিক আরোহের মধ্যে পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো-উদ্দীপকের মিসেস রওশন নজরুল একাডেমির শিক্ষার্থী রেহানা, জলি, বীণা ও শিরিনের ভালো উপস্থাপনা দেখে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, নজরুল একাডেমির সবাই ভালো উপস্থাপক। তাই মিসেস রওশনের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বৈজ্ঞানিক আরোহ নির্দেশিত হয়েছে। বৈজ্ঞানিক আরোহের ক্ষেত্রে অনুকূল ও প্রতিকূল উভয় প্রকার দৃষ্টান্ত পর্যবেক্ষণ করা হয়। এখানে বিভিন্ন ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা বিচার করে অপ্রয়োজনীয় অংশগুলো বাদ দেওয়া হয়। বৈজ্ঞানিক আরোহ সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠার জন্য গৃহীত দৃষ্টান্তের মানের ওপর গুরুত্ব প্রদান করে।অপরদিকে, উদ্দীপকের মিতা এই পর্যন্ত যত মানুষের সংস্পর্শে এসেছে তারা সবাই উদারমনা। এর ভিত্তিতে মিতা সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, বিশ্বের সব মানুষই উদারমনা। এখানে মিতা যেহেতু অনুকূল দৃষ্টান্তের অবাধ অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করেছে, তাই মিতার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে অবৈজ্ঞানিক আরোহ নির্দেশিত হয়েছে। অবৈজ্ঞানিক আরোহে বিভিন্ন ঘটনা বিশ্লেষণ করে অপ্রাসঙ্গিক বিষয়গুলো বাদ দেওয়া হয় না। অবৈজ্ঞানিক আরোহ বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করতে পারে না। তবে এ প্রকার আরোহ প্রকল্প প্রণয়নে ভূমিকা পালন করতে পারে। অবৈজ্ঞানিক আরোহে কার্যকারণ সম্পর্ক বিদ্যমান থাকে না বিধায় এখানে অবৈধ সামান্যীকরণ অনুপপত্তি ঘটে থাকে।