দৃশ্যকল্প-১ বৈজ্ঞানিক আরোহকে (Scientific Induction) নির্দেশ করে ।
যে আরোহ অনুমানে প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি ও কার্যকারণ নিয়মের ওপর নির্ভর করে বিশেষ দৃষ্টান্তের ভিত্তিতে একটি সার্বিক সংশ্লেষক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় তাকে বৈজ্ঞানিক আরোহ বলে। যেমন- মনি, ফয়সাল ও সুমনের মরণশীলতা প্রত্যক্ষ করে সকল মানুষের মরণশীলতা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার প্রক্রিয়াই হলো বৈজ্ঞানিক আরোহ। বস্তুত বৈজ্ঞানিক আরোহে অভিজ্ঞতার মাধ্যমে দৃষ্টান্ত সংগ্রহ করা হয় এবং কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয় করে সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা হয়। উল্লেখ্য, প্ৰকৃত অনুমানের তিনটি প্রকারভেদের মধ্যে একমাত্র বৈজ্ঞানিক আরোহেই কার্যকারণ নিয়ম অনুসরণ করা হয় ।
দৃশ্যকল্প-১-এ কাজল (মানুষ), দোয়েল (পাখি) ও বাঘ (পশু) এর মৃত্যুর ঘটনা পর্যবেক্ষণ করে সার্বিকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, 'সকল জীব মৃত্যুবরণ করে'। এখানে জীবের সাথে 'মরণশীলতার সম্পর্ক কার্যকারণ এবং প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতির সাহায্যে গ্রহণ করা হয়েছে। তাই বলা যায়, দৃশ্যকল্প-১ বৈজ্ঞানিক আরোহকে নির্দেশ করে।