উদ্দীপকের প্রিয়ার বক্তব্যে কার্যকারণ সম্পর্কের ভিত্তিতে বিশেষ বিশেষ দৃষ্টান্তের পর্যবেক্ষণ থেকে সার্বিক সিন্ধান স্থাপন করায় প্রকৃত আরোহের বৈজ্ঞানিক আরোহকে নির্দেশ করে। আর আবিশা সব দৃষ্টান্ত নিরীক্ষণ করে সিদ্ধান্ত অনুমান করায় এখানে অপ্রকৃত আবোহের পূর্ণাঙ্গ আরোহকে নির্দেশ করে। পূর্ণাঙ্গ আরোহ ৭ বৈজ্ঞানিক আরোহের মধ্যে কতিপয় বিষয়ে সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়। প্রথমত, পূর্ণাঙ্গ আবোহ ও বৈজ্ঞানিক আবোহ উভয়ই আরোহের অন্তর্ভুক্ত। দ্বিতীয়ত, পূর্ণাঙ্গ আরোহ ও বৈজ্ঞানিক আরোহ উভয়ই বাস্তব ঘটনার পর্যবেক্ষণ ও নিরীক্ষণভিত্তিক অনুমান। যেমন আরিশা মেলার প্রতিটি দোকান পর্যবেক্ষণ করে তারপর সব দোকান সম্বন্দে সিদ্ধান্ত অনুমান করে। তেমনি প্রিয়াও টিয়া পাখি, ময়না পাখি ও দোয়েল পাখির আকাশে উড়ার বাস্তব ঘটনা পর্যবেক্ষণ থেকে সিম্পাদ নিয়ে থাকে। এ উভয় অনুমানের সিদ্ধান্ত নিশ্চিত হয়ে থাকে। তৃতীয়ত, উভয় আবোহ অনুমানেই একটি করে সিদ্ধান্ত নিঃসৃত হয়। চতুর্থত, উভয় অনুমানেই আশ্রয়বাক্যগুলো বিষয়ভিত্তিক ও বস্তুনিষ্ঠ। পথমত, উভয় অনুমানেই সিদ্ধান্তের সাধারণীকরণ বা সার্বিকীকরণ করা হয়। ষষ্ঠত, উভয় আরোহ অনুমানেই নিজ নিজ দৃষ্টিকোণ থেকে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।
পরিশেষে বলা যায়, পূর্ণাঙ্গ আরোহ ও বৈজ্ঞানিক আরোহের মধ্যে অনেক বিষয়ে সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়।