দৃশ্যকল্প-১ হলো সাধু সাদৃশ্যানুমান ও দৃশ্যকল্প-২ হলো অসাধু সাদৃশ্যানুমান। দৃশ্যকল্প-২ এ হাসান ও মায়িশার মধ্যে কতকগুলো গুরুত্বহীন ও অনাবশ্যক বিষয়ে সাদৃশ্য দেখিয়ে হাসান চিকিৎসক তাই অনুমান করা হয়েছে মায়িশাও চিকিৎসক হবে। অসাধু সাদৃশ্যানুমানে সাদৃশ্যের বিষয়গুলো অপ্রাসঙ্গিক ও গুরুত্বহীন হওয়ায় তাদের সাথে সিদ্ধান্তের কোনো কার্যকারণ সম্পর্ক থাকার সম্ভাবনা থাকে না। অসাধু সাদৃশ্যানুমানে সাদৃশ্যের তুলনায় বৈসাদৃশ্য ও অজ্ঞাত বিষয়ের সংখ্যা বেশি থাকে বলে এর সিদ্ধান্তের পক্ষে সত্য হওয়ার চেয়ে মিথ্যা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
অন্যদিকে, দৃশ্যকল্প-১ এ 'ওমর ও আরাফ' এর মধ্যে একই কলেজ, একই শাখা, একই পাঠ্যবিষয়সমূহ বিষয়গুলোর সাদৃশ্য দেখিয়ে ওমর মানবিক শাখার ছাত্র। তাই অনুমান করা হয়, আরাফও মানবিক শাখার ছাত্র হবে। ওমর ও আরাফের সাদৃশ্যের বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ ও আবশ্যকীয়। এটি সাধু সাদৃশ্যানুমান। সাধু সাদৃশ্যানুমানে সাদৃশ্যের বিষয়গুলো প্রাসঙ্গিক ও গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় তাদের সাথে সিদ্ধান্তের একটা কার্যকারণ সম্পর্ক থাকার উজ্জ্বল সম্ভাবনা থাকে। সাধু সাদৃশ্যানুমানে বৈসাদৃশ্য ও অজ্ঞাত বিষয়ের তুলনায় সাদৃশ্যের বিষয়গুলো বেশি থাকে। ফলে এর মূল্য অনেকাংশে বেড়ে যায়। সাধু সাদৃশ্যানুমানে কার্যকারণ সম্পর্কের একটা প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিত থাকে বলে এর সিদ্ধান্তের পক্ষে সত্য হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
সুতরাং বলা যায়, দৃশ্যকল্প-১ এ নির্দেশিত বিষয়ের গ্রহণযোগ্যতা বেশি।