উদ্দীপকে মনিরুলের বক্তব্য 'বৈজ্ঞানিক আরোহ' কে ইঙ্গিত করে। ব্যাখ্যা করা হলো-প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি ও কার্য-কারণ নিয়মের ওপর নির্ভর করে বিশেষ বিশেষ দৃষ্টান্তের বাস্তব অভিজ্ঞতার সাহায্যে একটি সার্বিক সংশ্লেষক যুক্তিবাক্য স্থাপন করবার পদ্ধতিকে বৈজ্ঞানিক আরোহ বলে। বৈজ্ঞানিক আরোহ একটি সার্বিক সংশ্লেষক যুক্তিবাক্য স্থাপন করে। এই সার্বিক যুক্তিবাক্যটি সংশ্লেষক হওয়ায় নতুন তথ্যের সন্ধান দেয়। বৈজ্ঞানিক আরোহে আরোহমূলক লম্ফ বর্তমান থাকে অর্থাৎ এখানে জানা থেকে অজানায়, নিরীক্ষিত থেকে অনিরীক্ষিতে গমন করা হয়। বৈজ্ঞানিক আরোহে ঘটনাবলির মধ্যে কার্য-কারণ সম্পর্ক নির্ণয় ও প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নিয়ম অনুসরণ করেই সিদ্ধান্ত স্থাপন করা হয়।তেমনি উদ্দীপকে উল্লিখিত দার্শনিক লোক হন জ্ঞানী, দার্শনিক কান্ট হন জ্ঞানী,-দার্শনিক হিউম হন জ্ঞানী, এগুলো বিশেষ বিশেষ দৃষ্টান্ত এবং এগুলোর অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করেই' সকল দার্শনিক হন জ্ঞানী' এই সিদ্ধান্ত অনুমান করা হয়েছে। সুতরাং এটি একটি বৈজ্ঞানিক আরোহ।