উদ্দীপকে ফার্মেসি সম্পর্কে লোকজনের ভাবনা অবৈজ্ঞানিক আরোহকে ইঙ্গিত করে। এখানে লোকজনের জ্বর-সর্দির ওষুধ, ফার্মেসি এবং কোম্পানি সম্পর্কে অবাধ ও ব্যতিক্রমহীন অভিজ্ঞতা রয়েছে। কোনো কার্য-কারণ, সম্পর্ক নির্ণয় না করে শুধু একানুবর্তী ও অবাধ অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করে একটি সার্বিক সিদ্ধান্ত স্থাপন করার প্রক্রিয়াকে অবৈজ্ঞানিক আরোহ বলে। অবৈজ্ঞানিক আরোহে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সেটি অবাধ ও ব্যতিক্রমহীন, বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে। এরূপ আরোহের মূলকথা হলো এ ধরনের ঘটনা এ সর্বদাই ঘটতে দেখেছি, এর বিপরীত বা ব্যতিক্রম দৃষ্টান্ত কখনো চোখে পড়েনি। সুতরাং এ ধরনের ঘটনা সবক্ষেত্রেই ঘটবে।তেমনি উদ্দীপকে উল্লিখিত হয়েছে, আমির সাহেব একজন ওষুধ বিক্রেতা যে একটি নামকরা কোম্পানির জ্বর, সর্দির ওষুধ বিক্রি করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে লোকজন মনে করে, ফার্মেসিটি ওই কোম্পানির একটি বিক্রয়কেন্দ্র। এ অনুমানে ফার্মেসিটির নির্দিষ্ট কোম্পানির নির্দিষ্ট ওষুধ বিক্রয় করাটা ছিল লোকজনের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং এ বাস্তব অভিজ্ঞতা ছিল অবাধ ও ব্যতিক্রমহীন। লোকজন এ অবাধ ও ব্যতিক্রমহীন অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করেই সিদ্ধান্ত নেয়। এজন্যই এটি অবৈজ্ঞানিক আরোহের একটি দৃষ্টান্ত।