উদ্দীপকে অপ্রকৃত আরোহের অন্যতম প্রকরণ পূর্ণাঙ্গ আরোহ নির্দেশিত হয়েছে।ব্যাখ্যা করা হলো-যে আরোহ অনুমানে সকল দৃষ্টান্তের পর্যবেক্ষণ বা নিরীক্ষণের ভিত্তিতে সার্বিক যুক্তিবাক্য প্রতিষ্ঠা করা হয়, তাকে পূর্ণাঙ্গ আরোহ বলে। যেমন- একটি ঝুড়িতে রাখা ২০ টি আমের স্বাদ পরীক্ষা করে বলা হলো ঝুড়ির সকল আম হয় মিষ্টি। এই সার্বিক বাক্যটির সত্যতা পরীক্ষার জন্য স্বতন্ত্রভাবে প্রতিটি আম খেয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে। এ কারণে এটি পূর্ণাঙ্গ আরোহের দৃষ্টান্ত ।তেমনি উদ্দীপকের ঘটনায় বলা হয়েছে , ফারহানা তার ছোটবোন ইভাকে নিয়ে ফল গাছের চারা ক্রয়ের জন্য একটি নার্সারিতে যায়। নার্সারিতে তারা দেখতে পায় যে, ১০০টি চারা গাছের প্রত্যেকটিই আমের চারা গাছ। তাই তারা সিদ্ধান্ত নিল যে, এই নার্সারির সবগুলো চারা গাছই আমের। এখানে তারা নার্সারির প্রতিটি চারা যাচাই করে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে। তাই বলা যায়, তাদের সিদ্ধান্তে পূর্ণাঙ্গ আরোহের দৃষ্টান্ত প্রতিফলিত হয়েছে।