দৃশ্যকল্প-১ বৈজ্ঞানিক আরোহকে নির্দেশ করে। ব্যাখ্যা করা হলো-যে আরোহ অনুমানে প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি ও কার্যকারণ নিয়মের ওপর নির্ভর করে বিশেষ বিশেষ দৃষ্টান্তের ভিত্তিতে একটি সার্বিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, তাকে বৈজ্ঞানিক আরোহ বলে। যেমন- সুমন, কবির ও সজীবের বুদ্ধি পরীক্ষা করে বলা হলো, সকল মানুষ হয় বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন প্রাণী— এরূপ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার প্রক্রিয়াই হলো বৈজ্ঞানিক আরোহ। বস্তুত বৈজ্ঞানিক আরোহে অভিজ্ঞতার মাধ্যমে দৃষ্টান্ত সংগ্রহ করা হয় এবং কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয় করে সংগৃহীত দৃষ্টান্ত থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তেমনি দৃশ্যকল্প-১ এ বর্ণিত, বিশেষ দৃষ্টান্ত, নিরীক্ষণ, প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি, কার্যকারণ সম্পর্ক ও সার্বিক সংশ্লেষণ বাক্য। এসব বৈশিষ্ট্য কেবল বৈজ্ঞানিক আরোহের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ।