দৃশ্যকল্প-১ ও দৃশ্যকল্প-২ এ যথাক্রমে অসাধু সাদৃশ্যানুমান ও সাধু সাদৃশ্যানুমান দৃষ্টান্ত পরিলক্ষিত হয়। সংগত কারণেই দৃশ্যকল্প-১ এর চেয়ে দৃশ্যকল্প-২ বেশি গ্রহণযোগ্য। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-সাধু সাদৃশ্যানুমানে আশ্রয়বাক্যের মৌলিক, গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় বিষয়ের সাদৃশ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। যেমন- দৃশ্যকল্প-২ এ বর্ণিত, মানুষ ও উদ্ভিদের মধ্যে জন্ম, বৃদ্ধি, মৃত্যু, বংশবিস্তার ও খাদ্যগ্রহণ ইত্যাদি বিষয়ে মিল আছে। মানুষের প্রাণ আছে। সুতরাং উদ্ভিদেরও প্রাণ আছে। এটি সাধু সাদৃশ্যানুমানের দৃষ্টান্ত। এরূপ অনুমানের সাদৃশ্যের বিষয়গুলো মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার কারণে কার্যকারণ নীতির উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। তাই সাধু সাদৃশ্যানুমানের মূল্য ও গুরুত্ব অনেক বেশি।অন্যদিকে, দৃশ্যকল্প-২ এ উল্লেখিত অনুমানের আশ্রয়বাক্যের অমৌলিক, গুরুত্বহীন, ও অপ্রাসঙ্গিক সাদৃশ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত অনুমিত হয়। এ কারণে এটি অসাধু সাদৃশ্যানুমানের দৃষ্টান্ত। । এ অনুমানে সাদৃশ্যের বিষয়গুলো বাহ্যিক, গুরুত্বহীন ও অজ্ঞাত হওয়ায় অনুপপত্তি বা যুক্তিদোষ ঘটে। এ কারণে এটি একটি লৌকিক প্রক্রিয়া। তাই বলা যায়, দৃশ্যকল্প-১ এর চেয়ে দৃশ্যকল্প-২ বেশি গ্রহণযোগ্য।