দৃষ্টান্ত-১ এর ব্যাখ্যাটির সাথে আমি সম্পূর্ণরূপে একমত। কারণ এটি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
যে ব্যাখ্যায় কার্যকারণ সম্পর্ক আবিষ্কার করে কোনো ঘটনার ব্যাখ্যা দেওয়া হয় তাকে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা বলে। যেমন— চাঁদের ওপর যখন পৃথিবীর ছায়া পড়ে তখন চন্দ্রগ্রহণ হয়। এভাবে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায় ঘটনাবলিকে প্রাকৃতিক নিয়মকানুনের অধীনে ব্যাখ্যা করা হয়। এ ধরনের ব্যাখ্যার বিভিন্ন স্তর রয়েছে, যেগুলোর সাহায্যে ঘটনার সঠিক কারণ আবিষ্কার করা যায়। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা মানুষের শিক্ষা, বিশ্বাস, দৃষ্টিভঙ্গি প্রভৃতি বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। পাশাপাশি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রত্যক্ষণে মাধ্যমে কোনো ঘটনার বাস্তব ও মৌলিক বিষয় প্ৰকাশ পায়।
দৃষ্টান্ত-১ এ বর্ণিত, সমাজে নৈতিক অবক্ষয়ের কারণ নিয়ে একটি স্কুল- বিতর্কে বিজয়ী দলের নেতার যুক্তি ছিল, এর কারণ আসলে নৈতিকবোধের অভাব, ধর্মীয় শিক্ষা না থাকা, সর্বোপরি পারিবারিক সাহচর্যের অভাব। বস্তুত সমাজে নৈতিক অবক্ষয়ের কারণ হিসেবে উল্লেখিত বিষয়গুলো অবশ্যই মৌলিক এবং সাদৃশ্যপূর্ণ। এ কারণে এটি একটি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার দৃষ্টান্ত।
আলোচনা শেষে বলা যায়, বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার মাধ্যমে নিশ্চিত সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়। তাই উদ্দীপকে পরিলক্ষিত বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার সাথে আমি একমত।