উদ্দীপকে উল্লিখিত আরোহ হচ্ছে বৈজ্ঞানিক আরোহ। এটি একটি যথার্থ আরোহ। কারণ
১. বৈজ্ঞানিক আরোহে আরোহাত্মক উল্লম্ফন বা আরোহমূলক লক্ষ বিদ্যমান থাকে। যার কারণে এ আরোহে জানা থেকে অজানায় গমন করা যায়। আর এ আরোহাত্মক উল্লম্ফনকে আরোহের প্রাণ বলে। তাই আরোহের এ গুরুত্বপূর্ণ দিকটি বৈজ্ঞানিক আরোহের মধ্যে বিদ্যমান।
২. বৈজ্ঞানিক আরোহ কার্যকারণ সম্পর্কের ওপর প্রতিষ্ঠিত। কার্যকারণ সম্পর্ক হলো এমন একটি বিষয় যার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে সকল প্রকার আবিষ্কার ও উদ্ভাবন। আর এ গুরুত্বপূর্ণ দিকটিও বৈজ্ঞানিক আরোহের মধ্যে বিদ্যমান।
৩. বৈজ্ঞানিক আরোহ প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করে। প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি হলো এমন যার দ্বারা প্রকৃতির একরূপতাকে বোঝায়। অর্থাৎ, প্রকৃতি সর্বত্রই একই আচরণ করে। প্রকৃতিতে খামখেয়ালির কোনো স্থান নেই। একই অবস্থায় প্রকৃতিতে একই ঘটনা ঘটে। প্রকৃতির এ একরূপতানীতি বৈজ্ঞানিক আরোহের মধ্যে বিদ্যমান থাকে ।
৪. বৈজ্ঞানিক আরোহ নিশ্চিত সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করতে পারে। কারণ যে যে প্রক্রিয়া অবলম্বন করে সিদ্ধান্ত স্থাপন করলে সিদ্ধান্ত নিশ্চিত হয়, তা সবকয়টিই বৈজ্ঞানিক আরোহ অবলম্বন করে। তাই বৈজ্ঞানিক আরোহ নিশ্চিত সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করতে পারে ।
তাই দেখা যায়, বৈজ্ঞানিক আরোহের মধ্যে আরোহের মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো বিদ্যমান, যা অন্য কোনো আরোহে নেই। তাই বৈজ্ঞানিক আরোহকে একটি যথার্থ আরোহ হিসেবে উল্লেখ করা যায়।