উদ্দীপকের 'দৃষ্টান্ত-১'-এর দ্বারা বৈজ্ঞানিক আরোহ নির্দেশিত হয়েছে। কেননা এখানে যেসব বিষয়ের উল্লেখ করা হয়েছে বৈজ্ঞানিক আরোহে সেসব বিষয়গুলো বিদ্যমান থাকে ।
প্রকৃত আরোহের শ্রেণিবিভাগগুলোর মধ্যে প্রথমটি হলো বৈজ্ঞানিক আরোহ। এখানে বিশেষ বিশেষ দৃষ্টান্তের পর্যবেক্ষণ থাকে। আর প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি ও কার্যকারণ বিদ্যমান থাকে। তাই বলা যায়, প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি ও কার্যকারণ নিয়মের ওপর নির্ভর করে বিশেষ বিশেষ দৃষ্টান্তের পর্যবেক্ষণের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সার্বিক সংশ্লেষক সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা হয় যে, আরোহ অনুমানে তাকে বৈজ্ঞানিক আরোহ বলে। উদ্দীপকের 'দৃশ্যকল্প-১'-এ বিশেষ বিশেষ দৃষ্টান্তের পর্যবেক্ষণ, প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি ও কার্যকারণ নীতির ওপর ভিত্তি করে সার্বিক সংশ্লেষক যুক্তিবাক্য প্রতিষ্ঠার উল্লেখ করা হয়েছে। তাই 'দৃশ্যকল্প-১'-এর মাধ্যমে বৈজ্ঞানিক আরোহ নির্দেশিত হয়েছে। বৈজ্ঞানিক আরোহের অনুকূল ও প্রতিকূল উভয় প্রকার দৃষ্টান্ত পর্যবেক্ষণ করা হয়। এখানে পরিবেশ পরিবর্তনের মাধ্যমে দৃষ্টান্তসমূহ পরীক্ষা করে অপ্রাসঙ্গিক বিষয়গুলো বাদ দেওয়া হয়। আর কার্যকারণ সম্পর্কের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা হয় বিধায় এ প্রকার আরোহের মাধ্যমে নিশ্চিত সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা যায়। তাই বৈজ্ঞানিক আরোহের মাধ্যমে, সাধারণ সত্য প্রতিষ্ঠা করা যায়।