অনুমানের দিক থেকে দৃশ্যকল্প-১ ও দৃশ্যকল্প-২ এ যথাক্রমে বৈজ্ঞানিক আরোহ ও পূর্ণাঙ্গ আরোহ নির্দেশিত হয়েছে। নিচে উভয় আরোহের মধ্যে পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো-
দৃশ্যকল্প-১ এ উল্লেখিত বৈজ্ঞানিক আরোহ প্রকৃত আরোহের অন্তর্ভুক্ত। কারণ দৃশ্যকল্প-১ এ বলা হয়েছে, গ্রীষ্মকালীন ফল আম, জাম, কাঁঠাল, আনারস হয় রসালো ও সুস্বাদু। অতএব, সব গ্রীষ্মকালীন ফল হয় রসালো ও সুস্বাদু। এখানে প্রকৃত আরোহের মৌলিক বৈশিষ্ট্য হিসেবে আরোহমূলক লম্ফ বিদ্যমান। তাই এটি প্রকৃত আরোহের দৃষ্টান্ত। অন্যদিকে, দৃশ্যকল্প-২ এ উল্লেখিত পূর্ণাঙ্গ আরোহ অপ্রকৃত আরোহের অন্তর্ভুক্ত। এখানে আরোহের মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হিসেবে আরোহমূলক লম্ফ নেই।
দৃশ্যকল্প-১ এ উল্লেখিত বৈজ্ঞানিক আরোহ প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি ও কার্যকারণ নিয়মের ওপর নির্ভরশীল। অন্যদিকে, দৃশ্যকল্প-২ এ উল্লেখিত আরোহ কার্যকারণ নিয়মের ওপর নির্ভর করে না। পাশাপাশি পূর্ণাঙ্গ আরোহ সীমিত সংখ্যক ব্যক্তি বা বস্তু সম্পর্কে সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করে। কিন্তু বৈজ্ঞানিক আরোহ ব্যাপক পরিসরে সার্বিক সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করতে পারে।
সুতরাং বলা যায় যে, দৃশ্যকল্প-১ ও দৃশ্যকল্প-২ এ পরিলক্ষিত বৈজ্ঞানিক আরোহ ও পূর্ণাঙ্গ আরোহ বিভিন্ন দিক থেকে পৃথক।