উদ্দীপকের 'তথ্য-১' এর মাধ্যমে বৈজ্ঞানিক আরোহ এবং 'তথ্য-২' এর মাধ্যমে অবৈজ্ঞানিক আরোহ নির্দেশিত হয়েছে। আর এ দুই প্রকার আরোহের মধ্যে বিভিন্ন দিক দিয়ে পার্থক্য রয়েছে।
উদ্দীপকের 'তথ্য-১' এ সাকিব, সোহেল ও তামিমের বুদ্ধিবৃত্তি প্রত্যক্ষ করে 'সকল মানুষ হয় বুদ্ধিমান' এ সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এখানে 'মানুষ' ও 'বুদ্ধিবৃত্তির' মধ্যে একটি আবশ্যিক সম্পর্ক প্রকাশ পেয়েছে। তাই 'তথ্য-১' এর মাধ্যমে বৈজ্ঞানিক আরোহ নির্দেশিত হয়েছে। এই আরোহ প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি ও কার্যকারণ নিয়মের ওপর নির্ভরশীল। এ কারণে বৈজ্ঞানিক আরোহের সিদ্ধান্ত নিশ্চিত হয়ে থাকে।
অপরপক্ষে, 'তথ্য-২' এ অনুকূল দৃষ্টান্তের অভিজ্ঞতায় সাদা বক দেখে 'পৃথিবীর সকল বক হয় সাদা' এই সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এখানে অবাধ অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সার্বিক সংশ্লেষক সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা 'হয়েছে। তাই 'তথ্য-২' এর মাধ্যমে অবৈজ্ঞানিক আরোহ নির্দেশিত হয়েছে। এই আরোহে কার্যকারণ নিয়ম ব্যতিরেকে কেবল প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতির ওপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এ কারণে অবৈজ্ঞানিক আরোহের সিদ্ধান্ত সম্ভাব্য হয়ে থাকে।
পরিশেষে বলা যায়, বৈজ্ঞানিক ও অবৈজ্ঞানিক আরোহের মধ্যে বিভিন্ন দিক দিয়ে পার্থক্য বিদ্যমান রয়েছে। তবে আরোহের আলোচনায় উভয় প্রকার আরোহ গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।