উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১ এর মাধ্যমে বৈজ্ঞানিক আরোহ নির্দেশিত হয়েছে।
প্রকৃত আরোহের শ্রেণিবিভাগগুলোর মধ্যে প্রথমটি হলো বৈজ্ঞানিক আরোহ। এই প্রকার আরোহের মধ্যে প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি ও কার্যকারণ নিয়ম উভয়ই বিদ্যমান থাকে। তাই বলা যায়, প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি ও কার্যকারণ নিয়মের ওপর নির্ভর করে যে প্রকৃত আরোহে বিশেষ বিশেষ দৃষ্টান্তের পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে সার্বিক সংশ্লেষক সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা হয় তাকে বৈজ্ঞানিক আরোহ বলে। বৈজ্ঞানিক আরোহে অনুকূল ও প্রতিকূল উভয় প্রকার দৃষ্টান্ত পর্যবেক্ষণ করা হয়। এই প্রকার আরোহ পরিবেশ পরিবর্তনের মাধ্যমে দৃষ্টান্তসমূহ পরীক্ষা করে এবং অপ্রাসঙ্গিক বিষয়গুলো বর্জন করে। বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে এই প্রকার আরোহ ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আর কার্যকারণ সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করে বিধায় এই প্রকার আরোহের সিদ্ধান্ত নিশ্চিত হয়ে থাকে। এ রিপন তার বন্ধুকে বলল, ময়না, দোয়েল, কোকিল হয় দ্বিপদ পাখি, সুতরাং সকল পাখি হয় দ্বিপদ, রিপন, ময়না, দোয়েল, কোকিল পাখি দ্বিপদ প্রত্যক্ষ করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে বলল, "সকল পাখি হয় দ্বিপদ।” এখানে 'পাখি' ও 'দ্বিপদ' হওয়ার মধ্যে একটি আবশ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। তাই দেখা যাচ্ছে, রিপন বৈজ্ঞানিক আরোহ পদ্ধতি অনুসরণ করেছে। সুতরাং দৃশ্যকল্প-১ এর মাধ্যমে বৈজ্ঞানিক আরোহ নির্দেশিত হয়েছে।