উদ্দীপকে সাধু সাদৃশ্যানুমান প্রতিফলিত হয়েছে।
সাদৃশ্যানুমানের সিদ্ধান্তের ভিত্তি সাদৃশ্য বা মিল। সাদৃশ্যানুমানের দুটি প্রকারভেদ রয়েছে। যার একটি হলো সাধু সাদৃশ্যানুমান অন্যটি অসাধু সাদৃশ্যানুমান। যে সাদৃশ্যানুমানে মৌলিক, প্রাসঙ্গিক ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সাদৃশ্য বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা হয় তাকে সাধু সাদৃশ্যানুমান বলে। সাধু সাদৃশ্যানুমানে যেহেতু মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা হয় তাই এ প্রকার সাদৃশ্যানুমানের সিদ্ধান্ত নিশ্চিত হয়ে থাকে। এখানে কার্যকারণ সম্পর্ক থাকে না কিন্তু কার্যকারণ সম্পর্কের ইঙ্গিত থাকে। সাধু সাদৃশ্যানুমানের ক্ষেত্রে বৈসাদৃশ্য ও অজ্ঞাত বিষয়ের চেয়ে সাদৃশ্যমূলক বিষয়ের সংজ্ঞা বেশি থাকে তাই এর অনুমিত সিদ্ধান্ত অধিক সম্ভাব্য ও মূল্যসম্পন্ন। উদ্দীপকে মানুষ ও প্রাণীর কিছু গুরুত্বপূর্ণ, মৌলিক ও প্রাসঙ্গিক বিষয়ে সাদৃশ্য বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে যে, একটির ক্ষেত্রে যা সত্য অন্যটির ক্ষেত্রেও তা সত্য হবে। এসব সাদৃশ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করার ফলে সিদ্ধান্তটি বিজ্ঞানসম্মত। তাই সাধু সাদৃশ্যানুমানের মূল্য ও গুরুত্ব অত্যধিক।