উদ্দীপকে দিদার সাহেব প্রকল্পের যথাযথ বা বৈধ হওয়ার নিয়ম মেনেই প্রকল্প গঠন করেন। নিচে তার প্রকল্পের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করা হলো ।
১. প্রকৃতির অসংখ্য ঘটনা জটিল রূপে প্রতিনিয়ত উপস্থিত হয়। এসব ঘটনা প্রয়োজন উপযোগী কিনা ইত্যাদি বিষয় ব্যাখ্যার জন্য তাদের প্রকৃত কারণ জানা প্রয়োজন। কিন্তু কোনো বিষয়ের প্রকৃতি কিংবা কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয়ের প্রাথমিক পর্যায়ে যে আনুমানিক ধারণা করা হয় তাই হলো প্রকল্প ।
২. ব্যবহারিক জীবনে প্রতিনিয়ত আমরা বিবিধ সমস্যার সম্মুখীন হই।
সুস্থ ও সমৃদ্ধ জীবনযাপনের প্রয়োজনে এসব সমস্যা ও সমস্যাপূর্ণ ঘটনার কারণ সম্পর্কে সচেতন হওয়া আবশ্যক। আর এসব সম্পর্কে জানার পূর্বে আনুমানিক ধারণার ভিত্তিতে অগ্রসর হতে হয়। তাই দৈনন্দিন জীবনে প্রকল্প অপরিহার্য।
৩. ইতিহাস রচনার জন্য ঐতিহাসিকরা প্রথমে ইতিহাসের উপাদান সংগ্রহ করেন। সংগৃহীত তথ্য থেকে আনুমানিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর যাচাই করে ইতিহাসের মর্যাদা দেওয়া হয়। তাই ইতিহাস
রচনার ক্ষেত্রে প্রকল্প ভূমিকা পালন করে। ৪. প্রকল্প প্রণয়নের পর নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে ঘটনার প্রকৃতি বিন্যাস ইত্যাদি আনুমানিক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে অগ্রসর হতে হয়। সে বিচারে বলা যায়, যথার্থ নিরীক্ষণ ও পরীক্ষণের ক্ষেত্রে প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ।
এছাড়া জ্ঞানের বিভিন্ন ধরনকে সুশৃঙ্খল ও ঐক্যবদ্ধকরণের ক্ষেত্রে, আরোহ অনুমানের ক্ষেত্রে, আরোহমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানেও বৈধ প্রকল্পের গুরুত্ব অনস্বীকার্য।