উদ্দীপকে উল্লেখিত দৃষ্টান্তটি কার্যকারণ সম্পর্ক প্রমাণে ব্যতিরেকী পদ্ধতির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।ব্যতিরেকী পদ্ধতি মূলত একটি পরীক্ষণের পদ্ধতি। এ পদ্ধতির ব্যাখ্যায় দুটি দৃষ্টান্তের প্রয়োজন হয়। দৃষ্টান্ত দুটির একটি হলো সদর্থক এবং অপরটি নঞর্থক হয়। সদর্থক দৃষ্টান্তে ঘটনার কারণ ও কার্য উপস্থিত থাকে এবং নঞর্থক দৃষ্টান্তে ঐ ঘটনার কারণ ও কার্য অনুপস্থিত থাকে। এ থেকেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, ঘটনাটির মধ্যে কার্যকারণ সম্পর্ক আছে।উদ্দীপকে বলা হয়েছে, সুমন ঠান্ডা জাতীয় খাবার গ্রহণ করলে টনসিলাইটিসে আক্রান্ত হয়। আবার ঠান্ডা খাবার পরিহার করলে টনসিলাইটিস রোগে আক্রান্ত হয় না। এই সদর্থক ও নঞর্থক দৃষ্টান্তের ভিত্তিতে সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, ঠান্ডা খাবারই সুমনের টনসিলাইটিসের কারণ। এ কারণে বলা যায়, উদ্দীপকটিতে ব্যতিরেকী পদ্ধতিই প্রতিফলিত হয়েছে।