দৃষ্টান্ত-২ এ নির্দেশিত পরীক্ষণমূলক পদ্ধতির সুবিধা-অসুবিধা বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: দৃষ্টান্ত-২ এ ব্যতিরেকী পদ্ধতি নির্দেশ করা হয়েছে। নিচে এই পরীক্ষণমূলক পদ্ধতির সুবিধা-অসুবিধা বিশ্লেষণ করা হলো— ব্যতিরেকী পদ্ধতিতে পরীক্ষণের মাধ্যমে নিশ্চিতভাবে কার্যকারণ সম্পর্ক প্রমাণ করা যায়। তাই এ পদ্ধতির সিদ্ধান্ত নিশ্চিত হয়। ব্যতিরেকী পদ্ধতির পরীক্ষণ সুনিয়ন্ত্রিত পরিবেশে করা হয়। এই পদ্ধতি যথাযথভাবে প্রয়োগ করলে অনুপপত্তি বা ভ্রান্তি ঘটার আশঙ্কা থাকে না। এ কারণে বলা হয়, ব্যতিরেকী পদ্ধতি একটি আদর্শ পরীক্ষণমূলক পদ্ধতি। অন্যদিকে, যেসব ক্ষেত্রে পরীক্ষণ সম্ভব নয়, সেসব ক্ষেত্রে ব্যতিরেকী পদ্ধতির প্রয়োগ করা যায় না। এই পদ্ধতি প্রয়োগ করার ক্ষেত্রে উদ্দীপকের দৃষ্টান্ত-২ এ এর মতো দুটি দৃষ্টান্ত প্রয়োজন হয়। যার এটি সদর্থক অন্যটি নঞর্থক। কিন্তু সবসময় এরূপ দৃষ্টান্ত পাওয়া যায় না, সেসব ক্ষেত্রে ব্যতিরেকী পদ্ধতির সীমাবদ্ধতা রয়েছে। পাশাপাশি এই পদ্ধতি ঘটনার কারণ ও শর্তের মধ্যে পার্থক্য নির্দেশ করতে পারে না। ব্যতিরেকী পদ্ধতি বহু কারণবাদের সমস্যা থেকেও মুক্ত নয়। পরিশেষে বলা যায়, ব্যতিরেকী পদ্ধতিতে কিছু অসুবিধা থাকলেও এই পদ্ধতির গুরুত্বকে অস্বীকার করা যায় না। সর্বজনীন নিশ্চয়তা প্রদান সম্ভব না হলেও এই পদ্ধতির সাহায্যে আমরা ঘটনার কারণ আবিষ্কার ও প্রমাণ করতে পারি। এছাড়া অপনয়নের পদ্ধতি হিসেবেও ব্যতিরেকী পদ্ধতির মূল্য রয়েছে।
HSC Logic 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Logic 2nd Paper · সৃজনশীল
দৃষ্টান্ত-২ এ নির্দেশিত পরীক্ষণমূলক পদ্ধতির সুবিধা-অসুবিধা বিশ্লেষণ…
উদ্দীপক
Dhaka · 2019
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর