উদ্দীপকে সহপরিবর্তন পদ্ধতির দৃষ্টান্ত পরিলক্ষিত হয়। নিচে এ পদ্ধতির অসুবিধাগুলো বিশ্লেষণ করা হলো-
সহপরিবর্তন পদ্ধতি নিরীক্ষণভিত্তিক হলে এর সিদ্ধান্ত সম্ভাব্য হয়। এই পদ্ধতি কেবল পরিমাণগত পরিবর্তনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, গুণগত পরিবর্তনের ক্ষেত্রে নয়। যেসব ঘটনা গুণগতভাবে পরিবর্তিত হয়, সেসব ঘটনার ক্ষেত্রে এ পদ্ধতিতে কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয় করা যায় না। আবার এমন অনেক ঘটনা আছে যা কোনো কিছুর প্রভাবে বাড়লেও খুবই ধীরগতিতে বাড়ে। এসব বিষয়েও সহপরিবর্তন পদ্ধতির প্রয়োগ সুবিধাজনক নয়।
জগতে যে সকল ঘটনা বা বিষয় পরিবর্তনশীল নয়, সে সকল ক্ষেত্রে সহপরিবর্তন পদ্ধতি কাজ করে না। যেমন- সন্তানের প্রতি মায়ের ভালোবাসা। এটি সাধারণত চিরন্তন অর্থাৎ স্থিতিশীল ঘটনা বা বিষয়। সহপরিবর্তন পদ্ধতির ক্ষেত্রে কতিপয় ভ্রান্তি বা অনুপপত্তি ঘটারও আশঙ্কা। থাকে। যেমন- দৃষ্টান্তের অনিরীক্ষণজনিত অনুপপত্তি, কার্যকারণ সংক্রান্ত। অনুপপত্তি ইত্যাদি।
পরিশেষে বলা যায়, সহপরিবর্তন পদ্ধতির কয়েকটি অসুবিধা রয়েছে। তবে পরিমাণগত পরিবর্তন সম্পর্কে জানার জন্য এ পদ্ধতির ভূমিকা অপরিহার্য।