ঘটনা-১ এ সহপরিবর্তন পরীক্ষণাত্মক পদ্ধতির প্রতিফলন হয়েছে।
সহপরিবর্তন বলতে বোঝায় একইসাথে পরিবর্তিত হওয়া। অর্থাৎ কারণের পরিবর্তনের সাথে কার্যের পরিবর্তন হলো সহপরিবর্তন। এ পদ্ধতির মূলকথা হলো- কারণের পরিবর্তন হলে কার্যেরও পরিবর্তন ঘটে । এটি মূলত হ্রাস-বৃদ্ধির অবস্থাকে নির্দেশ করে। অর্থাৎ একটি বাড়লে অন্যটি বাড়ে, একটি কমলে অন্যটি কমে। এক্ষেত্রে বিপরীতমুখী পরিবর্তনও হতে পারে। অর্থাৎ একটি বাড়লে অন্যটি কমে, একটি কমলে অন্যটি বাড়ে। যেমন— কোনো দ্রব্যের চাহিদা যত বাড়ে এর মূল্যও তত বাড়ে, আবার চাহিদা যত কমে মূল্যও তত কমে। এ থেকে প্রমাণিত হয় যে, চাহিদার সাথে দ্রব্যমূল্যের কার্যকারণ সম্পর্ক রয়েছে।
ঘটনা-১ এ বর্ণিত হয়েছে যে, জনগণ যতই পরিশ্রমী হয় দেশের সমৃদ্ধি ততই বৃদ্ধি পায় এবং জনগণ পরিশ্রমী না হলে দেশের সমৃদ্ধি হ্রাস পায়। অর্থাৎ এখানে দেশের সমৃদ্ধির সাথে জনগণের পরিশ্রমের হ্রাস-বৃদ্ধির সম্পর্ক লক্ষ করা যায়। এ কারণে ঘটনা-১ এর দৃষ্টান্ত সহপরিবর্তন পদ্ধতির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।