উদ্দীপকটিতে ব্যতিরেকী পদ্ধতির প্রতিফলন ঘটেছে।
ব্যতিরেকী পদ্ধতি মূলত একটি পরীক্ষণের পদ্ধতি। এ পদ্ধতির ব্যাখ্যায় দুটি দৃষ্টান্তের প্রয়োজন হয়। দৃষ্টান্ত দুটির একটি হলো সদর্থক এবং অপরটি নর্থক। সদর্থক দৃষ্টান্তে ঘটনার কারণ ও কার্য উপস্থিত থাকে এবং নর্থক দৃষ্টান্তে ঐ ঘটনার কারণ ও কার্য অনুপস্থিত থাকে। এ থেকেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, ঘটনাটির মধ্যে কার্যকারণ সম্পর্ক আছে।
উদ্দীপকে বর্ণিত রুনা লক্ষ করে, মামা কক্ষে থাকা অবস্থায় সেখানে সুগন্ধ থাকে। আবার মামা চলে গেলে আর সুগন্ধ থাকে না। এই সদর্থক ও নঞর্থক দৃষ্টান্তের ভিত্তিতে রুনা সিদ্ধান্ত নেয়, তার মামা-ই ছিল সুগন্ধের কারণ। এ কারণে বলা যায়, উদ্দীপকটিতে ব্যতিরেকী পদ্ধতি প্রতিফলিত হয়েছে।