১ম দৃশ্যকল্পে সহপরিবর্তন পদ্ধতি এবং ২য় দৃশ্যকল্পে ব্যতিরেকী পদ্ধতির দৃষ্টান্ত পরিলক্ষিত হয়। নিচে উভয় দৃশ্যকল্পের প্রকৃতি বিশ্লেষণ করা হলো-
'সহপরিবর্তন' শব্দটির অর্থ পারস্পরিক সমান পরিবর্তন। সহপরিবর্তন পদ্ধতি অনুযায়ী, একটি ঘটনার পরিবর্তনের সাথে সাথে যদি অন্য ঘটনাও সমানভাবে পরিবর্তিত হয়, তাহলে পূর্ববর্তী ঘটনাকে কারণ এবং পরবর্তী ঘটনাকে কার্য বলে। যেমন— ১ম দৃশ্যকল্পে বলা হয়েছে, সূর্যের তাপ যত বাড়ে গরমের মাত্রাও তত বাড়ে। আবার সূর্যের তাপ যত কমে গরমের মাত্রাও তত কমে। সুতরাং আমরা বলতে পারি, সূর্যের তাপই গরমের মাত্রা ওঠা-নামার কারণ। অর্থাৎ সহপরিবর্তন পদ্ধতির সাহায্যে বলা যায়, এখানে 'সূর্যের তাপ' হলো কারণ এবং “গরমের মাত্রা ওঠা-নামা' হলো কার্য।
ব্যতিরেকী পদ্ধতি হলো যথার্থ পরীক্ষণের পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে সদর্থক ও নঞর্থক উভয় দৃষ্টান্তই পাওয়া যায়। সদর্থক দৃষ্টান্তে আলোচ্য ঘটনাটির মূল বৈশিষ্ট্য উপস্থিত থাকে এবং নঞর্থক দৃষ্টান্তে তা অনুপস্থিত থাকে। তবে উভয় দৃষ্টান্তই পরীক্ষণের সাহায্যে সংগ্রহ করা হয়। যার দৃষ্টান্ত ২য় দৃশ্যকল্পে পাওয়া যায়।
পরিশেষে বলা যায়, ব্যতিরেকী পদ্ধতি এবং সহপরিবর্তন পদ্ধতি দুটি ভিন্ন পদ্ধতি যার প্রকৃতি উপরের আলোচনায় সুস্পষ্ট।