উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১ এ বলা হয়েছে, মানুষ হচ্ছে বৃদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন প্রাণী। এখানে জাত্যর্থের মাধ্যমে মানুষ পদের অপরিহার্য অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। এ কারণে এটি যৌক্তিক সংজ্ঞার দৃষ্টান্ত ।অপরদিকে, দৃশ্যকল্প-২ এ বলা হয়েছে, পরাধীনতা হচ্ছে স্বাধীনতার অভাব।এখানে ইতিবাচক ভাষার পরিবর্তে নেতিবাচক ভাষা ব্যবহার করে পরাধীনতার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এ কারণে বলা যায় এটি নঞর্থক সংজ্ঞার দৃষ্টান্ত । যৌক্তিক সংজ্ঞার চতুর্থ নিয়মে বলা হয়েছে, পদের সংজ্ঞায় সদর্থক বা ইতিবাচক ভাষা ব্যবহার করতে হবে, কোনো নঞর্থক বা নেতিবাচক ভাষা ব্যবহার করা যাবে না। এ নিয়ম লঙ্ঘন করলে নঞর্থক সংজ্ঞাজনিত অনুপপত্তি ঘটে। কারণ নঞর্থকভাবে পদের সংজ্ঞা প্রদান করলে পদটির কোনো সুস্পষ্ট গুণ প্রকাশ পায় না, বরং সম্পূর্ণ সংজ্ঞাদান প্রক্রিয়া ত্রুটিপূর্ণ হয় । যার দৃষ্টান্ত দৃশ্যকল্প-২ এ পরিলক্ষিত হয়।তাই উপরিউক্ত আলোচনার ভিত্তিতে বলা যায়, দৃশ্যকল্প-২ দৃশ্যকল্প-১ এর ত্রুটিপূর্ণ রূপ।