উদ্দীপকের মাইশার উত্তরের সাথে আমি একমত। আমার উত্তরের স্বপক্ষে যুক্তি দেওয়া হলো-কিছু কিছু পদের যৌক্তিক সংজ্ঞা দেওয়া যায় না। আর উদ্দীপকে এমন কিছু বিষয়েরই উপস্থাপন করা হয়েছে। সংজ্ঞায় একটি পদের পূর্ণ জাত্যর্থ উল্লেখের মাধ্যমে পদটিকে স্পষ্টভাবে প্রকাশ করা হয়। সংজ্ঞার মাধ্যমে কোনো একটি পদ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভ করা যায়। কিন্তু কোনো কোনো পদের সংজ্ঞা প্রদানের জন্য কতকগুলো নিয়ম আবশ্যিকভাবে পালন করতে হয়। আর যেসব ক্ষেত্রে সংজ্ঞার নিয়মগুলো প্রয়োগ করা যায় না, সেসব ক্ষেত্রে যৌক্তিক সংজ্ঞা সীমাবদ্ধ। কোনো পদের যৌক্তিক সংজ্ঞার ক্ষেত্রে আসন্নতম জাতি ও বিভেদক লঙ্ঘন উল্লেখ করতে হয়, এটি যৌক্তিক সংজ্ঞার একটি পদ্ধতি। দ্রব্য এমন একটি পদ যে পদের কোনো আসন্নতম জাতি নেই। যেহেতু দ্রব্য পদটির আসন্নতম জাতির উল্লেখ করা যায় না, তাই পদটির সংজ্ঞা দেওয়া যায় না। আবার বিভিন্ন মৌলিক গুণের আসন্নতম জাতি ও বিভেদক লক্ষণ ! উল্লেখ করা যায় না। তাই বিভিন্ন মৌলিক গুণ যেমন আনন্দ, বেদনা, মিষ্টতা, তিক্ততা ইত্যাদি পদেরও সংজ্ঞা দেওয়া যায় না। অর্থাৎ উদ্দীপকে উল্লিখিত দ্রব্য, আনন্দ পদ দুটিতে যৌক্তিক সংজ্ঞায় সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তাই বলা যায়, এদের সংজ্ঞা দেওয়া যায় না বা পদগুলো সংজ্ঞার অযোগ্য।