নয়ন ও সুমির বক্তব্যে যথাক্রমে অতিব্যাপক সংজ্ঞা ও চক্রক সংজ্ঞার দৃষ্টান্ত পরিলক্ষিত হয়। নিচে উভয় সংজ্ঞার মধ্যে তুলনামূলক পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো-কোনো পদের সংজ্ঞায় জাত্যর্থের কম গুণ উল্লেখ করা হলে সংজ্ঞাটি ত্রুটিপূর্ণ হয়। এরূপ ত্রুটিপূর্ণ সংজ্ঞাকে বলা হয় অতিব্যাপক সংজ্ঞা।তেমনি উদ্দীপকের নয়ন মানুষ পদের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেছে, মানুষ হলো জীব। এখানে সে মানুষ পদের পূর্ণ জাত্যর্থ প্রকাশ করেনি। বরং তার বক্তব্যে বুদ্ধিবৃতি গুণটি বাদ পড়েছে। তাই নয়নের বক্তব্যটি অতিব্যাপক সংজ্ঞা। অপরদিকে, কোনো পদের সংজ্ঞায় সমার্থক বা প্রতিশব্দ ব্যবহার করলে যে অনুপপতি ঘটে তা-ই চক্রক সংজ্ঞা। আবার উদ্দীপকের সুমি বলেছে, মানুষ হলো মনুষ্য জাতীয় জীব। এখানে সে মানুষ সম্পর্কে নতুন কিছুই না বলে একই কথা ঘুরিয়ে বলেছে। এ কারণে তার বক্তব্যটি চক্রক সংজ্ঞার দৃষ্টান্ত। অতিব্যাপক সংজ্ঞায় মূল পদের জাত্যর্থ বা অপরিহার্য গুণের থাকে। অন্যদিকে, চক্রক সংজ্ঞায় মূল পদের অপরিহার্য গুণ উল্লেখ করাই হয় না, বরং মূল পদের প্রতিশব্দ ব্যবহার করা হয় মাত্র।