দৃশ্যকল্প-২ ও দৃশ্যকল্প-৩ এ নঞর্থক সংজ্ঞা ও রূপক সংজ্ঞার ইঙ্গিত রয়েছে। নিচে পাঠ্যবইয়ের আলেকে উভয় বিষয়ের আলোচনা করা হলো- যৌক্তিক সংজ্ঞার চতুর্থ নিয়ম অনুসারে, কোনো পদের সংজ্ঞায় সর্বদা। সদর্থক ভাষা ব্যবহার করতে হবে। কারণ সংজ্ঞায় নঞর্থক ভাষা। ব্যবহার করলে নঞর্থক সংজ্ঞাজনিত অনুপপত্তি ঘটে। যেমন— মানুষ নয় অমর। এখানে নেতিবাচক ভাষায় পাপের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ফলেনঞর্থক সংজ্ঞাজনিত অনুপপত্তি ঘটেছে। আমরা জানি, যৌক্তিক সংজ্ঞায় সর্বদা মূল বা অপরিহার্য শব্দ ব্যবহার করতে হয়। এর পরিবর্তে রূপক শব্দ ব্যবহার করে কোনো পদের সংজ্ঞা দেওয়া হলে রূপক সংজ্ঞাজনিত অনুপপত্তি ঘটে।তেমনি দৃশ্যকল্প-৩ এ বর্ণিত চরিত্র হয় মানবজীবনের মুকুট। এখানে চরিত্র পদের সংজ্ঞায় রূপকের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। তাই এখানে রূপক সংজ্ঞাজনিত অনুপপত্তি ঘটেছে।উৎপত্তিগত অর্থে রূপক সংজ্ঞাজনিত অনুপপত্তি ও নঞর্থক সংজ্ঞাজনিত অনুপপত্তির মধ্যে ভিন্নতা বিদ্যমান। যৌক্তিক সংজ্ঞার দ্বিতীয় নিয়ম লঙ্ঘন করে পদের সংজ্ঞায় রূপক শব্দ ব্যবহার করলে রূপক সংজ্ঞাজনিত অনুপপত্তি ঘটে। অন্যদিকে, যৌক্তিক সংজ্ঞার চতুর্থ নিয়ম লঙ্ঘন করে সংজ্ঞায়, নেতিবাচক শব্দ ব্যবহার করলে নঞর্থক সংজ্ঞাজনিত অনুপপত্তি ঘটে।দৃশ্যকল্প-২ ও দৃশ্যকল্প-৩ এ নঞর্থক সংজ্ঞা ও রূপক সংজ্ঞার ইঙ্গিত রয়েছে।