দৃশ্য-১-এ চক্ৰক সংজ্ঞা অনুপপত্তি ঘটেছে। কেননা এখানে সংজ্ঞায় সমার্থক শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। অর্থাৎ, দৃশ্য-১ এ যৌক্তিক সংজ্ঞার নিয়ম লঙ্ঘন করে সমার্থক শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে।
যৌক্তিক সংজ্ঞায় একটি পদের পূর্ণ জাত্যর্থ উল্লেখের মাধ্যমে পদটিকে স্পষ্টভাবে প্রকাশ করা হয়। সংজ্ঞার মাধ্যমে একটি পদের প্রকৃত অর্থ প্রকাশ করা হয়। এর ফলে আমরা একটি পদের প্রকৃত রূপ জানতে পারি। কোনো পদের সংজ্ঞা প্রদানের জন্য নির্দিষ্ট কতকগুলো নিয়ম রয়েছে যেগুলো সংজ্ঞার ক্ষেত্রে আবশ্যিকভাবে অনুসরণ করতে হয়। যৌক্তিক সংজ্ঞার তৃতীয় নিয়ম অনুযায়ী কোনো পদের সংজ্ঞায় সমার্থক বা প্রতিশব্দ ব্যবহার করা যায় না। যৌক্তিক সংজ্ঞার এই নিয়ম লঙ্ঘন করে কোনো পদের সংজ্ঞায় সমার্থক শব্দ ব্যবহার করলে সংজ্ঞা ত্রুটিপূর্ণ হয়। যৌক্তিক সংজ্ঞার এই ত্রুটিকে চক্রক সংজ্ঞা অনুপপত্তি বলে। যৌক্তিক সংজ্ঞা একটি বৈজ্ঞানিক বিষয়। তাই সংজ্ঞায় সমার্থক শব্দ ব্যবহার করলে সংজ্ঞার উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। কেননা সমার্থক শব্দের ব্যবহারে পদের প্রকৃত অর্থ প্রকাশিত হয় না, একই বিষয়কে ভিন্নভাবে প্রকাশ করা হয় মাত্র। উদ্দীপকের দৃশ্য-১-এ শিক্ষক পদের সংজ্ঞায় “গবেষক হন তিনি যিনি গবেষণা করেন।” বলে সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে। এখানে যৌক্তিক সংজ্ঞার তৃতীয় নিয়ম লঙ্ঘন করে পদটিকে ভিন্নভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। তাই দৃশ্য-১ এ চক্ৰক সংজ্ঞা অনুপপত্তি ঘটেছে।