উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১ এ দুর্বোধ্য সংজ্ঞা আর-২ এ বর্ণনা উল্লেখ করা হয়েছে। এদের মধ্যে তুলনামূলক সম্পর্ক আলোচনা করা হলো। যৌক্তিক সংজ্ঞার মাধ্যমে কোনো একটি পদের পূর্ণ জাত্যর্থ উল্লেখের মাধ্যমে পদটিকে সহজভাবে উপস্থাপন করা হয়। সংজ্ঞার উদ্দেশ্য হচ্ছে-
পদের অর্থকে সহজবোধ্য ও সুস্পষ্ট করা। যার কারণে সংজ্ঞেয় সবসময় সহজ-সরল ও সকলের বোধগম্য ভাষার প্রয়োগ ঘটাতে হবে। এজন্য সংজ্ঞার কোনো দুর্বোধ্য বা সর্বজনের বোধগম্য নয় এমন কোনো শব্দ যা ভাষা ব্যবহার করা যাবে না। অর্থাৎ যৌক্তিক সংজ্ঞার দ্বিতীয় নিয়ম অনুযায়ী যৌক্তিক সংজ্ঞায় দুর্বোধ্য শব্দ বা ভাষা ব্যবহার করা যাবে না। এ নিয়ম লঙ্ঘন করলে দুর্বোধ্য সংজ্ঞাজনিত অনুপপত্তি ঘটে। উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১ এ সংগীতের সংজ্ঞায় দুর্মূল্য কোলাহল শব্দটি একটি দুর্বোধ্য শব্দ। তাই এতে দুর্বোধ্য সংজ্ঞাজনিত অনুপপত্তি ঘটেছে। দৃশ্যকল্প-২ এর সংগীতের বর্ণনা উল্লেখ করা হয়েছে। কখন কোনো পদের জাত্যর্থ উল্লেখ না করে ঐ পদের উপলক্ষণ বা অবান্তর লক্ষণ কিংবা দুটোই উল্লেখ করা হয় তখন তাকে বর্ণনা বলে। দৃশ্যকল্প-২ এ সংগীতের যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে তা বর্ণনা হিসেবে পরিগণিত হয়েছে।
পরিশেষে বলা যায়, দৃশ্যকল্প-১ ও ২-এর মধ্যে সম্পর্ক থাকলেও উভয় যৌক্তিক সংজ্ঞা থেকে আলাদা।