উদ্দীপকের উদাহরণ-১ এর মাধ্যমে যৌক্তিক সংক্তা এবং উদাহরণ-২ এর মাধ্যমে অতিব্যাপক সংজ্ঞা পরিলক্ষিত হয়েছে। যৌক্তিক সংজ্ঞায় একটি পদের পূর্ণ জাত্যর্থ উল্লেখের মাধ্যমে পদটিকে 1 স্পষ্টভাবে প্রকাশ করা হয়। সংজ্ঞার মাধ্যমে একটি পদের প্রকৃত অর্থ প্রকাশিত হয়। যৌক্তিক সংজ্ঞার সুনির্দিষ্ট কতকগুলো নিয়ম রয়েছে, যা কোনো পদের সংজ্ঞা প্রদানের জন্য আবশ্যিকভাবে অনুসরণ করতে হয়। উদ্দীপকের উদাহরণ-১ এ 'ত্রিভুজ হয় তিনবাবু দ্বারা বেষ্টিত একটি সমতল ক্ষেত্র' সংজ্ঞাটিতে ত্রিভুজ পদের সঠিক সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে। অর্থাৎ ত্রিভুজের সংজ্ঞা প্রদান প্রক্রিয়ায় যৌক্তিক সংজ্ঞার কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়নি যার ফলে তাতে কোনো অনুপপত্তিও ঘটেনি। অপরদিকে, উদাহরণ-২ এর মাধ্যমে অতিব্যাপক সংজ্ঞাজনিত অনুপপত্তি ঘটেছে। কেননা সংজ্ঞাটিতে যৌক্তিক সংজ্ঞার পঞ্চম নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে। যৌক্তিক সংজ্ঞার পঞ্চম নিয়ম অনুযায়ী সংজ্ঞায় সংজ্ঞেয় পদ ও সংজ্ঞাটি পদের ব্যার্থ সমান হতে হবে। যদি এ নিয়ম অমান্য করে সংজেয় পদের ব্যক্তার্থ সংজ্ঞার্থ পদের ব্যস্তার্থের চেয়ে বেশি হয় তাহলে অতিব্যাপক সংজ্ঞা অনুপপত্তি ঘটে। উদ্দীপকের উদাহরণ-২ এ 'পাখি হয় প্রাণী'- সংজ্ঞাটিতে প্রাণী পদের ব্যক্ত্যর্থ পাখি পদের ব্যক্ত্যর্থের চেয়ে অনেক বেশি তাই এতে অতিব্যাপক সংজ্ঞা অনুপপত্তি ঘটেছে। যৌক্তিক সংজ্ঞার আলোকে বিশ্লেষণ করলে উদ্দীপকের উদাহরণ-১ এর মাধ্যমে সঠিক যৌক্তিক সংজ্ঞা নির্দেশিত হয়েছে এবং এখানে যৌক্তিক সংজ্ঞার সকল নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে। তাই এখানে কোনো প্রকার অনুপপত্তি ঘটেনি। কিন্তু উদাহরণ-২ এর মাধ্যমে যৌক্তিক সংজ্ঞার নিয়ম লঙ্ঘনজনিত অনুপপত্তি ঘটেছে ফলে তা সঠিক যৌক্তিক সংজ্ঞা নয়। এখানে যৌক্তিক সংজ্ঞার পাম নিয়ম লঙ্ঘন করার ফলে অতিব্যাপক সংজ্ঞা ! অনুপপত্তি ঘটেছে।