ছক-১ ও ছক-২ হলো যথাক্রমে দ্বিকোটিক বিভাগ ও যৌক্তিক বিভাগ। নিচে উভয় বিভাগের মধ্যেকার পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো- একটি নীতি বা সূত্রের ওপর ভিত্তি করে কোনো শ্রেণিকে তার অন্তর্গত উপশ্রেণিতে বিভক্ত করার প্রক্রিয়াকে যৌক্তিক বিভাগ বলে। সাধারণত বিভক্ত উপশ্রেণি দুটির মধ্যে একটিতে সূত্রের ঐ বিশেষ গুণটি বিদ্যমান থাকে। আর অন্যটিতে বিশেষ গুণটি অনুপস্থিত থাকে। অন্যদিকে, স্নিকোটিক বিভাগ হলো একটি সহজ-সরল প্রক্রিয়া। এ পদ্ধতিতে জাতিবাচক পদটিকে শুধু হ্যাঁ-বাচক ও না-বাচক পদে বিভক্ত করতে হয়।একটি জাতিবাচক বা শ্রেণিবাচক পদের যৌক্তিক বিভাগ করার জন্য ছয়টি নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। অন্যথায়, বিভাগকরণ প্রক্রিয়া ভ্রান্ত হয়। অন্যদিকে, দ্বিকোটিক বিভাগে উপশ্রেণিগুলোর মিলিত ব্যক্ত্যর্থ মূল শ্রেণির ব্যক্ত্যর্থের সমান। এ কারণে দ্বিকোটিক বিভাগে অব্যাপক বিভাগ ও অতিব্যাপক বিভাগ অনুপপত্তির সম্ভাবনা থাকে না। এ ছাড়াও বিরোধ নিয়ম ও মধ্যম রহিত নিয়মের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত বিধায় এতে সংকর বিভাগ বা পরস্পরাঙ্গী বিভাগ নামক অনুপপত্তি ঘটে না।অতএব বলা যায়, যৌক্তিক বিভাগে একটিমাত্র মূলসূত্র অনুসরণ করে পদের বিভাগায়ন করা হলেও দ্বিকোটিক বিভাগে তা করা হয় না। এ কারণে উভয় প্রক্রিয়ায় ভিন্নতা লক্ষণীয়।