উদ্দীপকে যে ছকচিত্রটি দেখানো হয়েছে তা যৌক্তিক বিভাগের দ্বিকোটিক বিভাগকে নির্দেশ করে। কেননা দ্বিকোটিক বিভাগে যে প্রক্রিয়ায় বিভাগ করা হয়ে থাকে আলোচ্য উদ্দীপকের ছকচিত্রেও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে। তাই ছকচিত্রের মাধ্যমে দ্বিকোটিক বিভাগের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। যৌক্তিক বিভাগে একটি জাতি বা শ্রেণিবাচক পদকে একটি মূলনীতি ও অনুযায়ী তার অন্তর্গত উপজাতিসমূহে ভাগ করা হয়। আর এ প্রক্রিয়া অনেকটা জটিল প্রকৃতির। কেননা এখানে বিভিন্ন নিয়মকানুন অনুসরণ করতে হয়। এ অসুবিধা দূর করার জন্য যুক্তিবিদেরা দ্বিকোটিক বিভাগ নামে একটি সহজ উপায় আবিষ্কার করেছেন। এ পদ্ধতির নাম হলো দ্বিকোটিক বিভাগ। ছিকোটিক বিভাগ হলো এমন একটি প্রকিয়া যেখানে কোনো জাতিকে তার অন্তর্গত দুটি বিরুদ্ধ উপজাতিতে ভাগ করা হয়। এদের মধ্যে একটি হয় সদর্থক এবং অন্যটি হয় নঞর্থক। উদ্দীপকের ছকচিত্রে 'জীব' জাতি পদটিকে দুটি বিরুদ্ধ উপজাতি 'মানুষ' ও 'অমানুষে' ভাগ করা হয়েছে। এখানে 'মানুষ' হলো সদর্থক। এবং 'অমানুষ' হলো নঞর্থক। দ্বিকোটিক বিভাগে বিভন্ন নিয়ম ছাড়াই সহজেই একটি শ্রেণিবাচক পদকে তার অন্তর্গত দুটি বিরুদ্ধ উপজাতিতে ভাগ করা হয়। এ বিভাগ প্রক্রিয়া যুক্তিবিদ্যার দুটি মৌলিক নিয়ম বিরোধ নিয়ম ও নির্মধ্যম নিয়মের ওপর প্রতিষ্ঠিত। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের ছকচিত্রটি যৌক্তিক বিভাগের দ্বিকোটিক বিভাগকে নির্দেশিত করেছে।