যুক্তিবিদ্যার আলোকে উদ্দীপকের বিভাজন প্রক্রিয়াটি দ্বিকোটিক বিভাগ প্রক্রিয়া। এর সুবিধাগুলো নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-যে বিভাগ প্রক্রিয়ার কোনো জাতিকে তার অন্তর্গত দুটি বিরুদ্ধ উপজাতিতে ভাগ করা হয় তাকে দ্বিকোটিক বিভাগ বলে। দ্বিকোটিক বিভাগ একটি আকারগত প্রক্রিয়া যেখানে একটি জাতিকে তার বিরুদ্ধ উপজাতিতে ভাগ করা হয় যার একটি সদর্থক এবং অন্যটি নঞর্থক। উদ্দীপকে প্রতিটি ক্ষেত্রে মূল জাতিকে পরস্পর বিরুদ্ধ দুটি উপজাতিতে ভাগ করা হয়েছে তাই এটি দ্বিকোটিক বিভাগের ইঙ্গিত প্রদান করে। দ্বিকোটিক বিভাগের অনেক সুবিধা রয়েছে তা হলো-১. দ্বিকোটিক বিভাগ একটি আকারগত প্রক্রিয়া তাই সহজে যৌক্তিক বিভাগ করা যায়। এক্ষেত্রে কোনো অসম্পূর্ণ বিভাগ অনুপপত্তি ঘটারও সম্ভাবনা থাকে না।২. দ্বিকোটিক বিভাগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য কোনো বাস্তব অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয় না। এখানে একটি পদকে সদর্থক ও নঞর্থক পদে ভাগ করতে হয়। তাই অতি সহজে এ প্রক্রিয়ায় বিভাগ করা যায়।৩. দ্বিকোটিক বিভাগে সবসময়ই মধ্যম রহিত নিয়ম ও বিরোধ নিয়ম মানা হয়। তাই এ প্রক্রিয়ার, সংকর বিভাগ বা পরস্পরাঙ্গী বিভাগ অনুপপত্তি ঘটার সম্ভাবনা নেই।৪. দ্বিকোটিক বিভাগের সকল নিয়মকানুন যৌক্তিক বিভাগ প্রক্রিয়ার নিয়মানুযায়ী সম্পন্ন হয় তাই এ বিভাগে যৌক্তিক বিভাগের কোনো নিয়ম লঙ্ঘিত হয় না বা কোনো অনুপপত্তিও ঘটে না।৫. দ্বিকোটিক বিভাগের ক্ষেত্রে জাতি বা উপজাতিসমূহের যেকোনো স্তর থেকে শুরু করা যায়। আবার যেকোনো পর্যায় শেষও করা যায়। তাই এতে বিভাগ প্রক্রিয়ায় জটিলতার সুযোগ থাকে না।সুতরাং বলা যায় যে, দ্বিকোটিক বিভাগ একটি আকারগত প্রক্রিয়া হলেও যৌক্তিক বিভাগের নিয়মের সাথে এর কোনো বিরোধ নেই। তাই যুক্তিবিদ্যা এর সুবিধা অনস্বীকার্য।