চিত্র-২ এ মানুষ পদটিকে যেভাবে ভাগ করা হয়েছে, তাতে দ্বিকোটিক বিভাগ নির্দেশিত হয়েছে। পাঠ্যবইয়ের আলোকে তা বিশ্লেষণ করা হলো-যৌক্তিক বিভাগে কোনো জাতি বা শ্রেণিবাচক পদকে তার অন্তর্গত উপজাতি বা উপশ্রেণিতে ভাগ করা হয়। কোনো একটি শ্রেণিবাচক পদের যৌক্তিক বিভাগ করার জন্য কিছু নিয়মকানুন অনুসরণ করতে হয়। পদ সম্পর্কেও ধারণা থাকতে হয়। এ সমস্যা সমাধানের জন্য যুক্তিবিদরা দ্বিকোটিক বিভাগ নামক একটি সহজ পদ্ধতির প্রবর্তন করেন। এ পদ্ধতিতে কোনো একটি শ্রেণিবাচক পদকে পরস্পর বিরুদ্ধ দুটি উপজাতিতে ভাগ করা হয়। যার একটি সদর্থক ও অন্যটি নঞর্থক। দ্বিকোটিক বিভাগ এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে কোনো একটি জাতি বা শ্রেণিকে পরস্পর বিরুদ্ধ দুটি উপজাতিতে ভাগ করা হয়। এ প্রক্রিয়া প্রয়োগ করতে কোনো বাস্তব গুণের প্রয়োজন হয় না, এটি একটি আকারগত প্রক্রিয়া। কোনো নিয়মকানুন জানা না থাকলেও এ পদ্ধতি একটি জাতিকে তার অন্তর্গত দুটি উপজাতিতে ভাগ করা যায়। এটি একটি নির্ভুল প্রক্রিয়া এবং এটি যৌক্তিক চিন্তায় বিরোধী নিয়ম ও নির্মধ্যম নিয়মের ওপর প্রতিষ্ঠিত। যৌক্তিক বিভাগের তুলনায় এটি একটি সহজ প্রক্রিয়া যাতে বিভাগের কোনো নিয়ম লঙ্ঘন হয় না।তেমনি চিত্র-২ এ মানুষ জাতিকে পরস্পর বিরুদ্ধ দুটি উপজাতিতে ভাগ করা হয়েছে, যা পাঠ্যবইয়ের দ্বিকোটিক বিভাগ নির্দেশ করে।তাই বলা যায় যে, চিত্র-২ এ মানুষ পদটিকে যেভাবে ভাগ করা হয়েছে, তাতে দ্বিকোটিক বিভাগ নির্দেশিত হয়েছে।