ছক-২, ছক-১ এর অপ্রয়োগের ফলে সৃষ্ট- উক্তিটি যথার্থ। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-আমরা জানি, ছক-১ এ একটি নীতির ভিত্তিতে বিজ্ঞানকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যেখানে বিজ্ঞানের দুটি পূর্ণ বিভাগই প্রকাশ পেয়েছে। এ কারণে এটি যৌক্তিক বিভাগের দৃষ্টান্ত। যৌক্তিক বিভাগে একটি জাতি বাশ্রেণিবাচক পদকে তার অন্তর্গত বিভিন্ন উপজাতিতে ভাগ করা হয়। ভাগ করার সময় ছয়টি নিয়ম যথাযথভাবে মেনে চলতে হয়। এ কারণে বিভিন্ন যুক্তিবিদ মনে করেন, যৌক্তিক বিভাগ একটি বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া। অন্যদিকে, ছক-২ এ কোণকে স্থূলকোণ ও সমকোণ পদে বিভক্ত করা হয়েছে। এই বিভক্তকরণ প্রক্রিয়ায় সূক্ষ্মকোণ বাদ পড়েছে। ফলে স্থূলকোণ ও সমকোণের মিলিত ব্যক্ত্যর্থ কোণের ব্যক্ত্যর্থ থেকে কম হয়েছে। এ কারণে অতিসংকীর্ণ বা অধ্যাপক বিভাগ অনুপপত্তি ঘটেছে। কোণ পদটির ব্যক্ত্যর্থের সমান হতে হলে স্থূলকোণ, সমকোণ ও সূক্ষ্মকোণ-এ তিন প্রকার কোণকেই অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। কারণ, যৌক্তিক বিভাগে বিভক্ত উপজাতির মিলিত ব্যক্ত্যর্থ বিভাজ্য জাতির ব্যক্ত্যর্থের চেয়ে কম হলে অতিসংকীর্ণ বা অব্যাপক বিভাগ অনুপপত্তি ঘটে। যেমনটি ঘটেছে ছক-২ এ। এ কারণে ছক-২ হলো ভ্রান্ত বিভাগ প্রক্রিয়া। তাই বলা যায়, ছক-২, ছক-১ এর অপ্রয়োগের ফলে সৃষ্ট।