তরমুজ ভাগ করার ক্ষেত্রে গনি মিয়া যৌক্তিক বিভাগের যথার্থ নিয়ম পালন করেনি। নিচে এ বিষয়ে যুক্তি দেখানো হলো-যৌক্তিক বিভাগের নিয়ম অনুসারে কোনো জাতিকে তার অন্তর্গত উপজাতিতে বিভক্ত করতে হলে একটি মূলসূত্র গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায়, একের অধিক নীতির আলোকে কোনো পদকে বিভক্ত করলে সংকর বিভাগজনিত অনুপপত্তি ঘটে। উদ্দীপকের গনি মিয়া তরমুজগুলোকে একই সাথে আকার, আকৃতি ও রং এরূপ তিনটি নীতির আলোকে ভাগ করেছে। এ কারণে তার এ কর্মকাণ্ডে সংকর বিভাগজনিত অনুপপত্তি ঘটেছে।আমরা জানি, যৌক্তিক বিভাগের নিয়মানুযায়ী সাধারণত জাতিবাচক বা শ্রেণিবাচক পদকে বিভক্ত করা যায়, একক কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে নয়। কিন্তু গনি মিয়া এ নিয়মটির লঙ্ঘন করে জমির তরমুজগুলোকে ভাগ করেছে। ফলে এ ক্ষেত্রে গুণগত বিভাগ অনুপপত্তির সৃষ্টি হয়েছে। আর এভাবেই তরমুজ ভাগ করার ক্ষেত্রে গনি মিয়ার কর্মকান্ডে যৌক্তিক বিভাগের অন্যতম দুটি নিয়মের লঙ্ঘন ঘটেছে।পরিশেষে বলা যায়, সংকর বিভাগ ও গুণগত বিভাগ উভয়ই ভ্রান্ত বিভাগ। যার দৃষ্টান্ত গনি মিয়ার কর্মকাণ্ডে পরিলক্ষিত হওয়ার কারণে বলা যায়- তরমুজ ভাগ করার ক্ষেত্রে গনি মিয়া যৌক্তিক বিভাগের যথার্থ নিয়ম পালন করেনি।