ছক-১ হলো যৌক্তিক বিভাগ এবং ছক-২ দ্বিকোটিক বিভাগের দৃষ্টান্ত। ছক-১, ছক-২ এর চেয়ে যৌক্তিক।নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-ছক-১ এ সততা নামক একটি নীতি বা সূত্রের ওপর ভিত্তি করে মানুষ পদকে অসৎ মানুষ ও সৎ মানুষ পদে বিভক্ত করা হয়েছে। পদের এই বিভক্তকরণ প্রক্রিয়াকে বলে যৌক্তিক বিভাগ। এই বিভাগের মাধ্যমে জাতি এবং উপজাতির মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক সম্বন্ধে জানা যায়। যৌক্তিক বিভাগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জাতিবাচক বা শ্রেণিবাচক পদকে তার অন্তর্গত বিভিন্ন উপজাতি বা উপশ্রেণিতে বিভক্ত করা হয় যা একটি সুশৃঙ্খল প্রক্রিয়া। কেননা এই বিভাগ প্রক্রিয়ায় ছয়টি নিয়ম অনুসরণ করতে হয়।অন্যদিকে, ছক-২ এ উল্লেখিত দ্বিকোটিক বিভাগ একটি আকারগত প্রক্রিয়া। এখানে কোনো পদকে বিভক্ত করতে বাস্তব জ্ঞানের প্রয়োজন হয় না। অর্থাৎ দ্বিকোটিক বিভাগে বস্তুগত মূল্য নেই। পাশাপাশি এ বিভাগ প্রক্রিয়ায় প্রতিটি স্তরে নঞর্থক পদটি একটি অস্পষ্ট ও অনির্দিষ্ট পদ। এটি শুধু সদর্থক পদের বিরুদ্ধ পদ সৃষ্টির জন্যই ব্যবহৃত হয়। এমনকি এ ধরনের পদের বাস্তব অস্তিত্ব আছে কি-না তা পরীক্ষা করে দেখা হয় না। - যেমন- ছক-২ এ উল্লেখিত 'অবাংলাদেশি' ও 'বাংলাদেশি' উপজাতির ক্ষেত্রে 'অবাংলাদেশি' বলতে কাদেরকে বোঝানো হয় তা সুস্পষ্ট হয় না। এ কারণে দ্বিকোটিক বিভাগ একটি অনির্দিষ্ট এবং দীর্ঘ প্রক্রিয়া। উল্লেখিত অসুবিধার কারণে বলা যায়, ছক-১, ছক-২ এর চেয়ে যৌক্তিক।