দৃশ্যকল্প-২ ও ১ এর বিভাজন প্রক্রিয়া যথাক্রমে দ্বিকোটিক বিভাগ ও যৌক্তিক বিভাগকে নির্দেশ করে। নিচে দ্বিকোটিক বিভাগ ও যৌক্তিক বিভাগের পার্থক্য জ্ঞাপক বিষয়সমূহ উল্লেখ করা হলো-
দ্বিকোটিক বিভাগ বলতে এমন একটি প্রক্রিয়াকে বোঝায় যেখানে কোনো শ্রেণিবাচক বা জাতিবাচক পদকে দুটি বিরুদ্ধ উপজাতিতে ভাগ করা হয়; যাদের একটি হয় সদর্থক পদ অপরটি নঞর্থক পদ। যেমন- দৃশ্যকল্প-২ এ খাদ্য দ্রব্যকে 'সিদ্ধ' ও 'অসিদ্ধ' এ দুটি পরস্পর বিরুদ্ধ পদে বিভক্ত করা হয়েছে। আবার, একটি নীতির ভিত্তিতে কোনো জাতিকে তার অন্তর্গত উপজাতিতে বিভক্ত করার প্রক্রিয়াকে যৌক্তিক বিভাগ বলে। যেমন-দৃশ্যকল্প-২ এ 'বিশুদ্ধতা' নামক একটি মূলনীতির ভিত্তিতে 'সার্টিফিকেট' পদকে 'আসল সার্টিফিকেট' ও 'নকল সার্টিফিকেট' এ দুটি উপজাতিতে ভাগ করা হয়েছে।
দ্বিকোটিক বিভাগ পদ্ধতিতে জাতিবাচক পদটিকে শুধু হ্যাঁ-বাচক ও না-বাচক পদে বিভক্ত করতে হয়। অন্যদিকে, যৌক্তিক বিভাগ প্রক্রিয়ায় একটি নীতি বা সূত্রের ওপর ভিত্তি করে কোনো শ্রেণিকে তার অন্তর্গত উপশ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়। আবার, দ্বিকোটিক বিভাগে উপশ্রেণিগুলোর মিলিত ব্যক্ত্যর্থ মূল শ্রেণির ব্যক্ত্যর্থের সমান। এ কারণে দ্বিকোটিক বিভাগে কোনো অনুপপত্তির আশঙ্কা থাকে না। কিন্তু যৌক্তিক বিভাগে পদের বিভাগায়নে ছয়টি নিয়ম অনুসরণ করা হয়। অন্যথায়, অনুপপত্তির আশঙ্কা থাকে। আলোচনা শেষে তাই বলা যায়, যৌক্তিক বিভাগে একটিমাত্র মূলসূত্র অনুসরণ করে পদের বিভাগায়ন করা হলেও দ্বিকোটিক বিভাগে তা করা হয় না। এ কারণে উভয় প্রক্রিয়ায় ভিন্নতা লক্ষণীয়।