উদ্দীপকের ছক-২ দ্বিকোটিক বিভাগ নির্দেশ করেছে। দ্বিকোটিক বিভাগের সুবিধাসমূহ ও অসুবিধাসমূহ আলোচনা করা হলো।দ্বিকোটিক বিভাগের সুবিধাসমূহ-
১. দ্বিকোটিক বিভাগ পদ্ধতি আকারগত প্রক্রিয়া হওয়ায় উপজাতিগুলো সম্বন্ধে বাস্তব জ্ঞান থাকাটা অনাবশ্যক।
২. দ্বিকোটিক বিভাগে যৌক্তিক বিভাগের সকল নিয়ম অনুসরণ করা হয়। ফলে এ বিভাগ প্রক্রিয়াটি নিখুঁত এবং নির্ভুল পদ্ধতি। সেক্ষেত্রে ভ্রান্তি ঘটার সম্ভাবনা খুবই কম।
৩. দ্বিকোটিক বিভাগ পদ্ধতিটি বৈধ। কেননা এটি বিরোধ, নিয়ম ও নির্মধ্যম নিয়মের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
৪. দ্বিকোটিক বিভাগ প্রক্রিয়াটি সহজ এবং সরল হওয়ার কারণে জনপ্রিয় এবং বহুল ব্যবহৃত।
৫. দ্বিকোটিক বিভাগের নিয়ম খুবই কম এবং সহজেই বোধগম্য।
দ্বিকোটিক বিভাগের অসুবিধাসমূহ,
১. দ্বিকোটিক বিভাগের নেতিবাচক পদটি একটি 'অসীম পদ'। যার জন্য অসংখ্য বস্তুসমষ্টি এ বিভাগের আওতাভুক্ত হয়ে পড়ে। তাই দ্বিকোটিক বিভাগে এ নেতিবাচক পদটিকে আবার বিভিন্ন উপজাতিতে ভাগ করা কষ্টকর ও অসম্ভব ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়।
২. দ্বিকোটিক বিভাগে নেতিবাচক পদটি আসলে একটি সদর্থক পদের বিরুদ্ধসূচক শব্দ, যা আসলে বাস্তবভিত্তিক নয়।
৩. দ্বিকোটিক বিভাগ হচ্ছে একটি অনির্দিষ্ট দীর্ঘস্থায়ী প্রক্রিয়া। এ প্রক্রিয়া দুটি পরস্পরবিরোধী শব্দ ব্যবহারের মাধ্যমে বিভাগ করতে গেলে তা কোথায় গিয়ে শেষ হবে সে সম্পর্কে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না।
৪. দ্বিকোটিক বিভাগে বিভক্ত উপশ্রেণির মধ্যে নেতিবাচক পদ হিসেবে উল্লিখিত উপশ্রেণিগুলো সম্পূর্ণ অস্পষ্ট ও অনির্দিষ্ট।
৫. দ্বিকোটিক বিভাগটি আসলে বাস্তব অভিজ্ঞতাবিবর্জিত প্রক্রিয়া নয়। কারণ হচ্ছে এ পদ্ধতির ক্ষেত্রেও অন্ততপক্ষে মূলসূত্রের বাস্তব জ্ঞান থাকা অত্যন্ত জরুরি।