দৃশ্যকল্প-১ ও দৃশ্যকল্প-২ এ নির্দেশিত যৌক্তিক বিভাগ প্রক্রিয়াটি যথার্থ। নিচে উভয় যৌক্তিক বিভাগের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো—
দৃশ্যকল্প-১ এ বর্ণিত, একটি কলেজের শিক্ষার্থীদের পাঠদানের সুবিধার্থে কলেজ কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা এভাবে সকল শিক্ষার্থীদের বিভক্ত করলেন। এটি যৌক্তিক বিভাগের দৃষ্টান্ত। কারণ এখানে জাতিবাচক পদ হিসেবে শিক্ষার্থীদের বিভক্ত করতে হয়েছে, কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে নয়। পাশাপাশি এই বিভাগকরণ প্রক্রিয়ায় একটিমাত্র মূলনীতি অনুসরণ করা হয়েছে এবং বিভাজ্য জাতির ব্যক্ত্যর্থ এবং বিভক্ত উপজাতিগুলোর ব্যক্ত্যর্থ পরস্পর সমান। সর্বোপরি ক্রমবিভাজনের ক্ষেত্রে মধ্যবর্তী কোনো স্তরকে বাদ দেওয়া হয়নি। এ কারণে এটি যথার্থ যৌক্তিক বিভাগ প্রক্রিয়া।
অন্যদিকে দৃশ্যকল্প-২ এ বর্ণিত, একদল গবেষক একটি গ্রামের জরিপকার্যে সুবিধা করার জন্য গ্রামের সকল মানুষকে শিক্ষিত ও অশিক্ষিত এভাবে বিভক্ত করলেন । এখানেও জাতিবাচক পদ হিসেবে মানুষ পদকে বিভক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি 'শিক্ষা' নামক একটি মূলনীতি অনুসরণ করা হয়েছে এবং বিভাজ্য জাতির ব্যক্ত্যর্থ এবং বিভক্ত উপজাতিগুলোর ব্যক্ত্যর্থ পরস্পর সমান হয়েছে। সর্বোপরি ক্রমবিভাজনের ক্ষেত্রে মধ্যবর্তী কোনো স্তরকে বাদ দেওয়া হয়নি। এ কারণে এটি যথার্থ যৌক্তিক বিভাগ প্রক্রিয়া।
পরিশেষে বলা যায়, যৌক্তিক বিভাগ একটি মানসিক প্রক্রিয়া। কারণ এখানে জাতি বা মূলপদকে বিভক্ত করার প্রক্রিয়াটি মানসিকভাবে সম্পাদন হয়। যার দৃষ্টান্ত উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১ ও দৃশ্যকল্প-২ এ লক্ষ করা যায়। তাই এ দুটি দৃশ্যকল্পে উল্লেখিত বিভাগ প্রক্রিয়াটি যথার্থ।