উদ্দীপকে মানুষ ও শিক্ষিত জাতিবাচক পদকে দুটি বিরুদ্ধ উপজাতিতে বিভক্ত করায় এই বিভাজনে দ্বিকোটিক বিভাগ বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েছে। দ্বিকোটিক বিভাগ বলতে একটি শ্রেণিকে তার -অন্তর্গত এমন দুটি বিরুদ্ধ পদ সংবলিত উপশ্রেণিতে ভাগ করা বোঝায়, যে দুটি উপশ্রেণির একটিতে একটি বিশেষ গুণ বর্তমান এবং অন্যটিতে সে গুণ অনুপস্থিত। দ্বিকোটিক বিভাগের অনেক সুবিধা আছে। প্রথমত, দ্বিকোটিক বিভাগে যৌক্তিক বিভাগের সবগুলো নিয়ম অনুসরণ করা হয়। ফলে এ বিভাজন প্রক্রিয়া একটি নিখুঁত ও নির্ভুল প্রক্রিয়া। এতে বিভাগের অনুপপত্তি ঘটার কোনোই সম্ভাবনা থাকে না। দ্বিতীয়ত, দ্বিকোটিক বিভাগ একটি আকারগত প্রক্রিয়া। ফলে বিভাগকরণের সময় উপজাতি সম্বন্ধে বাস্তব জ্ঞান না থাকলেও সঠিকভাবে তা সম্পন্ন করা যায়। তৃতীয়ত, দ্বিকোটিক বিভাগ একটি সহজ-সরল প্রক্রিয়া। কেননা এ পদ্ধতিতে একটি পদকে সহজেই নঞর্থক ও সদর্থক পদে ভাগ করে অগ্রসর হওয়া যায়। চতুর্থত, দ্বিকোটিক বিভাগ পদ্ধতিটি বৈধ। কেননা এটি বিরোধ নিয়ম ও নির্মধ্যম নিয়মের ওপর প্রতিষ্ঠিত। এর ফলে সংকর বিভাগ অনুপপত্তি ও পরস্পরাঙ্গী বিভাগ অনুপপত্তির কোনো আশঙ্কা থাকে না। পঞ্চমত, দ্বিকোটিক বিভাগের নিয়ম খুবই কম এবং সহজেই বোধগম্য। ষষ্ঠত, দ্বিকোটিক বিভাগের ক্ষেত্রে জাতি বা উপজাতিসমূহের যেকোনো স্তর থেকে কাজ শুরু করা যায়, আবার যেকোনো পর্যায় শেষ ও করা যায়। এতে বিভাগ প্রক্রিয়ায় কোনোরকম দোষ বা অনুপপত্তি ঘটে না।